রূপচর্চা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রূপচর্চা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আপনার ত্বক কে একদিনে ফর্সা ও উজ্জ্বল করবেন যেবাবে !

আপনার ত্বক কে একদিনে ফর্সা ও উজ্জ্বল করবেন যেবাবে !

৯:৪৯ AM Add Comment
ss

ssনিজের ত্বককে এবার এক রাতেই আগের চেয়ে অনেক ফর্সা এবং উজ্জল করতে পারবেন। আগামীকাল কোথাও বেড়াতে বা প্রিয় মানুষটির সাথে দেখা করতে যাবেন, তাহলে এখনই জেনে নিন এক রাতে ফর্সা ও উজ্জল ত্বক পাওয়ার প্রাকৃতিক...
ব্যবস্থা।
১ রাতে ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক
যা যা লাগবে:
১। খাঁটি গোলাপ জল (ঘরেও তৈরি করে নিতে পারেন)
২। গরুর খাঁটি দুধ (কাঁচা)
যা করবেন:
১। প্রথমেই মুখটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তুলোতে ক্লিনজিং মিল্ক মেখে তোকে বুলিয়ে নিন। তারপর হালকা কুসুম গরম পানি ও ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ভালো করে পানির ঝাপটা দেবেন। ত্বক পরিষ্কার না হলে উপায়টি ভালো কাজ করবে না।
২। তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুখ মুছে নিন। এরপর বাতাসে শুকিয়ে যেতে দিন।
৩। মুখে এখন আর কিছু মাখবেন না। পানি শুকিয়ে যেতে যেতে প্যাকটি তৈরি করে নিন।
৪। সম পরিমাণ গোলাপ জল ও কাঁচা দুধ একত্রে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি পরিষ্কার হাত দিয়ে মুখে মাখুন।
৫। অপেক্ষা করুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। তারপর মুখ না ধুয়েই ঘুমিয়ে পড়ুন।
৬। বালিশে মুখ চেপে ঘুমাবেন না, এতে প্যাকটি মুছে যাবে। একটু সাবধানে ঘুমালেই ভালো।
৭। সকালে উঠে স্বাভাবিক পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন। আর নিজেকে দেখুন আয়নায়।

যেভাবে  ত্বকের যত্ন নেবেন !

যেভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন !

১০:৩২ AM Add Comment
গরমে ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে

অতিরিক্ত গরমে ত্বক আর্দ্রতা হারায় এবং শুষ্ক হয়ে পড়ে। জন্মগতভাবে ত্বক তিন ধরনের হয়ে থাকে। স্বাভাবিক ত্বক, শুষ্ক ত্বক ও তৈলাক্ত ত্বক। রোদ ও ধূলোবালি স্নিগ্ধ ও সতেজ ত্বকের বড় শত্রু। রোদের পোড়াভাব ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বসে যায়। লোমকূপে ময়লা জমে মুখে ব্রণ হয় এবং রোদের ছোপ ছোপ দাগ পড়ে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, ঘাম থেকে ঘামাচিসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার কখনও কখনও র‌্যাশ হতেও দেখা যায়। ত্বক শুষ্ক হলে ত্বকের নমণীয়তা কমে যায়, আর নমণীয়তা কমে গেলে ত্বকে ফাটল ধরে এবং বার্ধক্যের ছাপ ফুটে উঠে চেহারায়।
ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন
গরমের দিনে  ত্বকের যত্ন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে বেশি যত্নশীল হতে হয়। এজন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন গ্লিসারিন-সমৃদ্ধ সাবান অথবা ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ। তবে গরমে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে ময়েশ্চারাইজিং ক্লিনজার। তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীদের গরমকালে কষ্ট হয় বেশি। তেলগ্রন্থিগুলো এ সময় সক্রিয় হয়ে উঠার কারণে তেল বের হয় বেশি, তারা মেডিকেটেড ফেইস ওয়াশ ব্যবহার করলে ভালো ফল পেতে পারেন।
রোদ থেকে সুরক্ষা পেতে ব্যবহার করুন সানস্ক্রিন
গরমের দিনে সবচেয়ে প্রয়োজন হচ্ছে সানস্ক্রিন। রোদ থেকে রক্ষা পেতে বাইরে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করবেন, বিশেষ করে চোখের নীচের নমনীয় ত্বকের জন্য মেডিকেটেড সানস্ক্রিন এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্য তেলবিহীন সানস্ক্রিনই ব্যবহার করতে হবে। রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করবেন। সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন তাতে যেন সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর এসপিএফ অন্তত ১৫ হয়। ওয়াটার প্রুফ সানস্ক্রিনও ব্যবহার করতে পারেন।
সাথে রাখুন ক্রিম বা বেবি লোশন
শুষ্ক ত্বকের খসখসে ভাব দূর করার জন্য এবং বলিরেখা পড়ার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য সবসময় ক্রিম ব্যবহার করা উচিত। অবশ্য ক্রিমের বদলে বেবি লোশনও ব্যবহার করতে পারেন। তবে গরমের দিনে ক্রিম হতে হবে তেলবিহীন। নতুবা ক্রিমের অতিরিক্ত তেল গরমে আরো বেশি সমস্যা তৈরি করবে।
ত্বকের যত্ন নিয়ে আরো কিছু জরুরি পরামর্শ
  • গরমে যাদের ত্বকে ঘামাচি হয়, তারা নিমপাতার রস লাগালে উপকার পাবেন। তেঁতো জাতীয় খাবার খান। ঘাম বেশি হলে ট্যালকম পাউডারের সাথে এক চিমটি খাবার সোডা ব্যবহার করুন।
  • গরমে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই রূপচর্চা করা জরুরী। ত্বক তৈলাক্ত হলে বার বার মুখ পরিষ্কার করতে হবে। শশা বাটা এবং মুশুরি ডাল বাটা দুটো পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। আপনার মুখের তেলতেলে ভাব কেটে যাবে।
  • লাউয়ের রস, তরমুজের জুস বরফ করে মুখে ঘষুন। এতে রোদে পোড়াভাব দূর হয়ে সাথে সাথে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল মোলায়েম।
  • গরমে তৈলাক্ত ত্বক দ্রুত ঘেমে যায় ও ময়লা দ্রুত শুষে নেয়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি শশার রস পরিমাণমতো, আধা চা চামচ লেবুর রস, আধা চামচ গোলাপ জলে মিশিয়ে লোশনের মতো মুখে লাগিয়ে আধাঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচ দিন করুন।
  • গরমে ব্রনের মাত্রা বেড়ে যায়। ব্রন এড়াতে সপ্তাহে তিন, চার বার চিরতার পানি এবং দুই-তিনটি কাঁচা হলুদ ও আখের গুঁড় খেতে পারেন। সব সময় মুখ পরিষ্কার রাখবেন। নিমপাতা, হলুদ, চিরতা ও মুলতানি মাটি এক সঙ্গে মিলিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন।
  • রোদের প্রচন্ড তাপের কারণে ত্বকের ছোপ ছোপ দাগ দূর করার জন্য টমেটোর রস, কাঁচা হলুদের রস, ভুসিওয়ালা আটা মিশিয়ে মুখ, গলা ও ঘাড়ে লাগান। গোলাপজল দিয়ে মুছে ধুয়ে ফেলুন। কাঁচা দুধ, লেবুর রস, পাকা পেঁপে, চন্দন, গোলাপের পাপড়ি একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করে নিয়ে পুরো ত্বকে লাগান, হালকা ম্যাসাজ করুন। ভালো ফল পাবেন।
পরিশেষে ত্বক রক্ষায় প্রসাধনীর দিকে নজর না দিয়ে নজর দিন ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির দিকে, যা ছড়ানো আছে প্রকৃতি-প্রদত্ত খাদ্য উপাদান আর ফলমূলে। মনে রাখবেন ফর্সা ত্বক মানেই সুন্দর ত্বক নয়, সুস্থ ত্বক মানেই সুন্দর ত্বক।
খুব সহজে চুলের যত্ন নিন তাও আবার গোসল এর আগে!

খুব সহজে চুলের যত্ন নিন তাও আবার গোসল এর আগে!

৪:০৮ PM Add Comment
গোসলের আগেই চুলের যত্ন!
গোসলের আগে চুলে তেল দেয়া সব সময়ই ভালো। এতে চুল স্বাস্থ্যজ্বল হয় আর চুলে শাইন এনে দেয়। তাই গোসলের আগে চুলের গোড়ায় গরম গরম তেল ম্যাসাজ করা উচিত। এ ছাড়াও আরো কিছু স্টেপ চুল ধোয়ার আগে মেনে চলতে একদম ভুলবেন না। যেমন:

* দুই ধরনের তেল যেমন ক্যাস্টর অয়েল এবং অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে লাগাতে পারেন। চাইলে যোগ করুন ভিটামিন ই ক্যাপসুল। এই তেলের মিশ্রন অন্তত ২০ মিনিট চুলে রাখুন।

* চুল ধোয়ার সময় কখনোই গরম পানি ব্যবহার করবেন না। এতে চুল শুষ্ক হয় এবং শক্ত হয়ে যায়।

* চুলকে কন্ডিশনিং করতে চাইলে লাগাতে পারেন দই এবং ডিম এর মিশ্রন। এর পর চুল ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রনটি অন্যতম কার্যকর প্রাকৃতিক কন্ডিশনার। আপনার চুলে তাৎক্ষণিক ঝলমলে ভাব এনে দিবে।

* মধু আর দই দিয়েও প্যাক তৈরি করে চুলে লাগাতে পারেন। এটা চুলকে ভেতর থেকে ময়েশ্চারাইজ করে।

* দুটি কলা একদম ভালো করে চটকে নিন। আর স্মুদ পেস্ট বানান। সঙ্গে দিন দুই টেবিল চামচ মেয়নিজ এবং এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল। চুলে লাগান আর ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। ঈষদুষ্ণ গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। যাদের চুল শুষ্ক তাদের জন্য এই প্যাক যাদুর মত কাজ করবে।

* ৩ টেবিল চামচ কালো ডাল সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন আর পরদিন পিষে নিন আর স্মুদ পেস্ট বানিয়ে নিন। এর সঙ্গে একটা ফেটানো ডিম, এক টবিল চামচ লেবুর রস এবং এক কাপ দই মিশিয়ে নিন। চুলে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রাখুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
দেখে নিন আপনার কালো ঠোঁট কে গোলাপি উপায় !

দেখে নিন আপনার কালো ঠোঁট কে গোলাপি উপায় !

৫:১৯ PM Add Comment
images (2)
অনেকের ঠোঁট বংশগত কারণেই কালচে হয়ে থাকে। তবে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, ধূমপান, অ্যালার্জি, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ, হরমন সমস্যা ইত্যাদি কারণেও ঠোঁটের রং কালচে হয়ে যায়।
তাছাড়া নিয়ম করে যত্ন না নিলেও ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে।
রূপচর্চাবিষয়ক একটি সাইটে কালচে ঠোঁটের সমস্যা দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায় তুলে ধরা হয়।
চিনির স্ক্রাব ব্যবহার
চিনি প্রাকৃতিক এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। ত্বকের উপর জমে থাকা মৃত কোষ দূর করে ঠোঁটের রং হালকা করতে সাহায্য করে।
দুই চামচ মাখনের সঙ্গে তিন চামচ চিনি মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন এই স্ক্রাব ব্যবহারে ঠোঁটের রং হালকা হবে।
ঠোঁটের ঘরোয়া স্ক্রাব
দুধ এবং হলুদগুঁড়া মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে। ঠোঁট ভিজিয়ে নিয়ে একটি নরম ব্রাশ দিয়ে ঠোঁট ঘষে নিতে হবে। এরপর সামান্য পেস্ট নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে দুই থেকে তিন মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ঠোঁট ধুয়ে শুকিয়ে যাওয়ার পর লিপ বাম লাগিয়ে নিতে হবে।
লেবুর রস
প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান হিসেবে পরিচিত লেবু। তাই ঠোঁটের কালচেভাব দূর করতেও লেবু দারুণ কার্যকর। এক টুকরা লেবু নিয়ে ঠোঁটে ঘষে নিলেই উপকার পাওয়া যাবে। প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে লেবুর রস মেখে ঘুমালে উপকার পাওয়া যাবে।
লেবু ও চিনির স্ক্রাব
এক চামচ লেবুর রস, সামান্য নারিকেল তেল ও দুই চামচ চিনি ভালোভাবে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। চাইলে আরও খানিকটা চিনি মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এই স্ক্রাব ঠোঁটে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মালিশ করতে হবে। নরম এবং ছোট একটি টুথব্রাশ দিয়েও ঘষে নেওয়া যেতে পারে। কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে লিপ বাম লাগিয়ে নিতে হবে।
অতিরিক্ত স্ক্রাব এক সপ্তাহ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যাবে।
মধু
বাহ্যিক কারণে ঠোঁটের রং কালচে হয়ে গেলে তা ঠিক করতে মধু বেশ কার্যকর। রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে মধু মেখে ঘুমানো যেতে পারে। এতে সারারাত ঠোঁটের নমনীয়তা বজায় থাকে। তাই ঠোঁটের কালচেভাব দূর হয় এবং ঠোঁটে গোলাপিভাব যুক্ত হয়।
ঘরোয়া লিপবাম
গোলাপি ঠোঁটের জন্য ঘরোয়া উপায়েই তৈরি করা যায় লিপবাম। দুই চামচ পেট্রোলিয়াম জেলির সঙ্গে এক চামচ স্ট্রবেরি মিশিয়ে একটি লিপবাম তৈরি করা যেতে পারে। প্রতিদিনের ব্যবহারে উপকার পাওয়া যাবে।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েলে রয়েছে ভিটামিনসহ নানারকম খনিজ উপাদান। প্রতিদিন ঘুমানোর সময় ঠোঁটে অলিভ অয়েল লাগিয়ে ঘুমালে ঠোঁট কোমল হয়।
আপনি কি আপনার কালো ঠোঁট সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে চান ?

আপনি কি আপনার কালো ঠোঁট সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে চান ?

১:৪২ PM Add Comment
lip-shajghor.com_
নিজেকে উপস্থাপনের জন্য নিঃসন্দেহে ঠোঁট একটি প্রাসঙ্গিক ব্যাপার। কিন্তু আপনার সৌন্দর্য্যের এই হাতিয়ারকে যদি কালো দেখায় তাহলেই বিপদ, কি বলেন? আসুন আপনাকে কিছুটা স্বস্তি দেই-

১. প্রথমত, আপনার যদি ধূমপানের অভ্যাস থাকে, তবে তা এখনই ছাড়তে হবে। এর কোন বিকল্প নেই।
২. দিনে দু’বারের বেশি চা বা কফি পান থেকে বিরত থাকুন।
৩. অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
৪. লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। এতে ঠোঁটের কালোভাব দূর হবে।
৫. ধনেপাতার রসও ঠোঁটের কালোভাব দূর করে।
৬. একটা লেবুর অর্ধেক কেটে তার উপর দুই ফোঁটা মধু দিয়ে বৃত্তাকারে ঠোঁটে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর বরফ জলে ঠোঁট ধুয়ে ফেললে ভালো ফল পাওয়া যায়।
৭. সকালে দাঁত ব্রাশ করার সময় হালকা করে সাবধানে ঠোঁটও ব্রাশ করতে পারেন। এতে ঠোঁটের মরা কোষ ঝরে যায়।
৮. মুলতানি মাটি, কয়েক ফোঁটা মধু ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।
৯. ঠোঁটের কোনা অনেক সময় কালো হয়ে যায়, শসা ও পাতিলেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দিনে ৩-৪ বার ঠোঁটে লাগালে উপকার পাবেন।
১০. প্রতিদিন গ্লিসারিন, অলিভ অয়েল, মধু ও গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালে ঠোঁটের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।
১১. রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নারিকেলের তেলের সঙ্গে বাদাম তেল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। সপ্তাহে দু’দিন এই প্যাকটি ব্যবহার করুন। কালো দাগ দূর হবে।
১২. দিনে কমপক্ষে আট গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
১৩. ঠোঁটে লিপিস্টিক বা অন্য কিছু ব্যবহারের আগে সেটার মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।
উপরের নিয়ম গুলো মেনে চললে খুব সহজেই কালো ঠোঁট সুন্দর ও আকর্ষণীয় করতে পারবেন। ধন্যবাদ…