আজব খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আজব খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লটারি জিতলেই মিলবে কুমারী মেয়ে !

লটারি জিতলেই মিলবে কুমারী মেয়ে !

৯:১১ PM Add Comment
বিশ্বে এমন দেশ নেই যে দেশে লটারির প্রচলন নেই। লটারি জিতে গরিব থেকে ধনী হয়েছেন অনেকে, অনেককে হতে হয়েছে ভিটেমাটি ছাড়া। কিন্তু ব্রাজিলে লটারিতে মিলছে আজব পুরস্কার।
টিভি, ফ্রিজ, সাইকেল কিংবা নগদ টাকা জেতার কথা তো অনেকেই শুনেছেন। তাই বলে কুমারী মেয়ে? আজ্ঞে হ্যাঁ, এখানে লটারি জিতলে পয়সা না মেলে কুমারী মেয়ে। যদিও এটা চলে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে, পুলিশি নজর বাঁচিয়ে।
এই খেলাটি বিশেষত তাদের জন্য যারা শিশু বা নাবালিকাদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে পছন্দ করে। এইভাবে শিশুদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন একপ্রকার মানসিক রোগ। যাকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় পিডোফাইল বলা হয়।
ব্রাজিলে ৪০ লাখ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। দেহব্যবসার ক্ষেত্রে শিশুদের ব্যবহারে এই দেশ বিশ্বে দ্বিতীয়। এই লটারি ব্যবসা প্রচারে এলেও টনক নড়েনি প্রশাসনের। রমরমিয়ে চলছে লটারির নামে দেহব্যবসা।
যে শহরে পোশাক পরতে মানা (ভিডিও সহ)

যে শহরে পোশাক পরতে মানা (ভিডিও সহ)

১০:১৯ AM Add Comment
54711ফ্রান্সের কেপ দাগদে শহরের সমুদ্রসৈকতের দৃশ্য। দ্য গার্ডিয়ান থেকে নেয়া ছবিটি সম্পাদিত
দক্ষিণ ফ্রান্সের অদ্ভুত এক শহরের গল্প শোনাই আজ। কেপ দাগদে নামের ওই সমুদ্র শহরটির গল্প শুনলে অবাক হবেন নিশ্চয়ই, কারণ শহরটিতে গ্রীষ্মকালে বাস করে কেবল নগ্ন মানুষরা!
গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে শহরটিতে ছয় হাজার লোকের বাস। তবে গ্রীষ্মে জনসংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায় শহরটির। কারণ ওই সময়ে মেডিটেরিয়ান সাগরের নীলজলে অবগাহনে আসে আরো ৪০ হাজার মানুষ। যারা আসে তাদেরও আসতে হয় নগ্ন হয়ে- কারণ শহরে যে ওই একই রীতি।
সুন্দর সমুদ্রসৈকত আর নীল জলরাশির শহরটির মেয়রের নাম ফিল হোদ। হোদ নিজেই ওই ‘নগ্নদের’ দলেরই লোক। নিজে এই শহরের সভ্যতার নাম দিয়েছেন ‘প্রাকৃতিক সভ্যতা’ নামে। গার্ডিয়ানের সাথে আলাপ করার সময় জানালেন, প্রকৃতি ও আধুনিকতার মিশেলে শহরটিকে পৃথিবীর একমাত্র নগ্নদের শহর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
নগ্ন নাগরিকদের আরো দাবি, প্রকৃতি মানুষ সৃষ্টি করেছে কিন্তু শহর বা আধুনিকতার অন্যান্য উপাদান সৃষ্টি করেনি। মানুষই এসব সৃষ্টি করেছে আর এসব আধুনিকতার উপাদানের সবচাইতে বড় শিকার মানুষই। তাই ওই ‘তথাকথিত’ আধুনিকতা থেকে দূরে থাকতে নগ্ন শহরের এই আয়োজন।
মেয়র ফিল জানালেন, নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে প্রায় জনশূণ্য এই সৈকতে নগ্নদের আগমণ শুরু। প্রথমে প্রকৃতির সান্নিধ্যের জন্য কিছু মানুষ সুন্দর এই সৈকতে এসে থাকতে শুরু করে। আস্তে আস্তে মেডিটেরিয়ান সাগরের বিখ্যাত নীল জলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে পর্যটক আসতে শুরু করে এখানে। এরপর আস্তে আস্তে গড়ে ওঠে শহর। তবে যতই শহরের স্থাপনা গড়ে উঠুক, একটুও নাকি পাল্টায়নি কেপ দাগদে। এখনো কান পাতলে প্রকৃতির অনন্ত নিঝুমতা আর সাগরের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে পায় মানুষ।
ফিল আরো বলেন, ‘এই শহরে ঢোকার নিয়ম হয়তো একটু অদ্ভুত। কিন্তু একবার এসে কেউ যখন ফিরে যাবে, সাথে নিয়ে যাবেন অনন্য এক স্মৃতি। যা অনুপ্রেরণা জোগাবে বেঁচে থাকার।’ –

জীবন্ত হয়ে গেল মোমের তৈরি মাথা! (ভিডিও)

১১:১৯ AM Add Comment
এই মানুষগুলো মোমের তৈরি কাটা মুন্ডু নিয়ে রাস্তায় বড় ধরণের একটা তামাশাই করলেন পথচারীদের সাথে।
ভিডিওতে দেখা যায়, মোমের পুতুল নিয়ে এক ব্যক্তি ফুটপাত দিয়ে হেঁটে আসতে থাকে। কিন্তু তার আগেই তারা ফুটপাতে একটি ছোট-খাট ম্যানহোলের মত গর্ত করে রাখে।
যেখানে আগে থেকেই কিছু মেয়েকে রাখা হয়। পরিকল্পনা মত গর্তের সামনে আসলেই সে পুতুল থেকে মাথাটি নিচে ফেলে দিতে থাকে। পিছনে থাকা পথচারী ব্যাপারটি খেয়াল করলেই, পাশ থেকে ঐ দলেরই কয়েকজন সাদা বোর্ড নিয়ে ফুটপাত অতিক্রম করার সময় মোমের মুন্ডুটি তুলে নিয়ে যায়। আর গর্ত থেকে উঠে আসে আসল মানুষের মুন্ডু।
তারপর দেখুন, কি কাণ্ডটাই না ঘটে!

দেখে নিন যেখানে সবাই মাটির নিচে বাস করে !

দেখে নিন যেখানে সবাই মাটির নিচে বাস করে !

১২:২২ PM Add Comment
1441631174
মাটির নিচে গ্রাম! ভাবতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। রূপকথার মতো এই গ্রামটির অবস্থান অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে একটি আস্ত শহরই গড়ে উঠেছে মাটির নিচে। কুবের পেডি নামের ওই শহরটি আর পাঁচ আধুনিক শহরের মতোই। অ্যাডিলেড থেকে ৮৪৬ কিলোমিটার উত্তরে। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষের বসবাস শহরটিতে। যেখানে সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!
এই শহরটির জন্ম ১৯১৫ সালে। শহরটির মূল বৈশিষ্ট হল বহুমূল্য রত্নের খনি। opal নামক রত্নটি বিশ্বের ৯৫ শতাংশই পাওয়া যায় কুবের পেডি এলাকা থেকে। শহরটিতে বাইরে থেকে দেখলে তাজ্জব হতে হয়। চারিদিক জনমানব শূন্য। স্থানে স্থানে গুহা। সেই গুহাগুলি থেকে নেমে গিয়েছে সুড়ঙ্গের মতো সিঁড়ি। সেই সিঁড়ি চলে গিয়েছে গভীরে। সিঁড়ি ধরে নীচে নামলেই রূপকথা! যেখানে সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!অত্যাধুনিক বাসস্থান। উচ্চপ্রযুক্তির সরঞ্জাম। রয়েছে দামি হোটেল। সুইমিং পুল।
কেন এই শহর মাটির তলায়?
অস্ট্রেলিয়ার একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চলে তীব্র গ্রীষ্মের দাপট। গ্রীষ্মকালে কুবের পেডি এলাকায় তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাই সেখানকার মানুষ সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!
 দুবাই এ তৈরি করতে যাচ্ছে রূপকথার আলাদিনের শহর!

দুবাই এ তৈরি করতে যাচ্ছে রূপকথার আলাদিনের শহর!

১২:০৯ PM Add Comment
1441639379
আলোক উজ্জল ঝলমলে রাস্তার পাশে হিরে-জহরত। সুখের যেন চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। আরব্য রূপকথাতেই তো এই সব পেয়ে এসেছি বরাবর। আর আলাদিনের গল্প। কিশোর মনকে তো বটেই, নাড়া দেয় সব বয়সকেই। রূপকথা আবার সত্যি হয় নাকি! আরব্য উপন্যাস পড়ে আর সেই স্বপ্নের শহর মনে মনে সাজাতে হবে না। গাঁটের ক়ি খরচ করলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে আলাদিনের শহরে। সেরকমই ব্যবস্থা করছে দুবাই।
দুবাই মানেই অর্থ, প্রাচুর্য। ধনকুবেরদের দেশ। এহেন দুবাই এবার তামাম দুনিয়াকে চমকে দিতে চলেছে ‘আলাদিন সিটি’ তৈরি করে। ৪ হাজার একর কমপ্লেক্সে থাকবে এমন সব টাওয়ার, যা দেখলেই মনে পড়ে যাবে আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ ও সিনবাদ, দ্য সেইলরের কথা। দুবাই প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে ৬টি টাওয়ার থাকবে। এর মধ্যে কিছু টাওয়ার তৈরি করা হবে আলাদিনের প্রদীপের মতো। প্রত্যেকটি টাওয়ারের যোগাযোগ রক্ষা করবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্রিজ। সেই ব্রিজটি এমন প্রযুক্তিতে তৈরি করা হবে, যাতে চাপলে মনে হবে আলাদিনের সেই ম্যাজিক কার্পেটে চেপে আপনি উড়ে যাচ্ছেন।
আগামী বছরই এই আশ্চর্য শহর তৈরির কাজে হাত দিচ্ছে দুবাই মিউনিসিপ্যালিটি, জানিয়েছেন পুরসভার ডিরেক্টর জেনারেল হুসেন নাসের লুতাহ। প্রত্যেকটি টাওয়ার হবে ২৬ থেকে ৩৪ তলার। থাকবে অনেক অফিস, অত্যাধুনিক হোটেল এবং ৯০০টি গাড়ি রাখার পার্কিং এরিয়া। এছাড়াও ১ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষ বসবাস করতে পারবেন ওই ‘আশ্চর্য’ শহরে।।২০১৮ সালের মধ্যে আলাদিন সিটি গড়ার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।-টাইমস অব ইন্ডিয়া
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাঁচটি  নদীর ‘বাঁধ’ যা দেখলে আপনি আবাক নি হয়ে পারবেন না

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাঁচটি নদীর ‘বাঁধ’ যা দেখলে আপনি আবাক নি হয়ে পারবেন না

১২:০৪ PM Add Comment
নদী শাসনের এই জামানায় বাঁধ খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়। প্রকৃতির স্বাভাবিক নীতির বিরুদ্ধে গিয়ে মানুষ যখন থেকে নদীর উপর বাঁধ দিতে শুরু করেছে তখন থেকেই ঝামেলার শুরু। নদীর গতিপথকে পাল্টে দিয়ে মানুষ তার নিজের সুবিধার জন্য ভিন্ন ভূমি ও সেই ভূমির মানুষদের পরোক্ষ অর্থে হত্যা করতেও পিছপা হচ্ছে না।
সম্প্রতি ভারত সরকার নদী শাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি বাঁধ নির্মানের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আর এই নদী শাসনের খেসারত যেমন পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে দিতে হবে তেমনি গোটা বাংলাদেশকেও দিতে হবে। এবারের ইস্যুতে বিশ্বের এমনই কয়েকটি বড় বাঁধের বর্ননা দেয়া হলো, যেগুলো মানবসভ্যতার ইতিহাসে আপাত আর্শীবাদ হিসেবে দেখানো হলেও আখেরে রয়েছে এর প্রচণ্ড নেতিবাচক প্রভাব।
2015_09_07_15_48_46_lF5VlHCnHhvMOprIxmQoSzpoURDc5r_original
থ্রি জর্জেস বাঁধ
চীনের সান্দোপিং শহর পার্শ্ববর্তী ইয়াংজে নদীর উপর বিশ্বের সর্ববৃহত হাইড্রোইলেকট্রিক বাঁধটি তৈরি করা হচ্ছে। দেশটির পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বাঁধের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। ২০১২ সালের জুলাই মাসের ৪ তারিখ থেকে মূলত এই বাঁধটি তার কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। বাঁধটির মূল অবকাঠামোর কাজ শেষ হয়েছিল ২০০৬ সালে। কিন্তু বাঁধের একেবারে তলদেশে একটি টারবাইন বসানো নিয়ে ঝামেলা শুরু হওয়ায় বাঁধটির কাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছিল। এই বাঁধটি নিয়ে ভারত-কম্বোডিয়া এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে কয়েকদফা প্রতিবাদ জানানো হয়েছে চীন সরকার বরাবর। কিন্তু দেশটির শাসকরা এই বাঁধ প্রশ্নে কোনো আলাপেই রাজি নয়।
2015_09_07_15_49_22_cNNRJ3XhfwHuKCcyCsKQLxLjKpPJd6_original
ইতাইপু বাঁধ
ব্রাজিল এবং প্যারাগুয়ের মধ্যবর্তী পানামা নদীর উপর তৈরি করা হয়েছে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ ইতাইপু। বৃহত একটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়ার জন্য এই বাঁধটি করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁধটি করার পর ক্রমশ ব্রাজিলের বিভিন্ন স্থানের নদীর গতিপথ পাল্টে যাচ্ছে। যে কারণে ইতোমধ্যেই মহাবন আমাজানের অনেক অঞ্চল বৃক্ষহীন মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। আমাজানের আদিবাসী জনগোষ্ঠি এই বাঁধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালে ব্রাজিল সরকারের নির্যাতনের মুখে তাদের সরে যেতে হয়। শুরুর দিকে এই বাঁধ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের অর্ধেক প্যারাগুয়ের পাওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে ব্রাজিলই বিদ্যুৎ সুবিধা বেশি গ্রহন করছে।
2015_09_07_15_50_03_waaPCjvOGfUd8IbFZLJh4axPkhNnXK_original
তুকুরুই বাঁধ
লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের পারা রাজ্যের তোকাতিন নদীর উপরের বাঁধটির নাম তুকুরুই। এই বাঁধটিও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই ব্যবহার করা হচ্ছে। ১৯৭৫ সালে বাঁধটির কাজ শুরু হয়ে ১৯৯৮ সালে শেষ হয়। যদিও বাঁধটির কাজ চূড়ান্ত অর্থে শেষ হয় ২০১০ সালে। তবে যে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বাঁধটি তৈরি করা হয়েছিল তা মূলত পূরণ হয়নি। উল্টো পারা রাজ্যের বৃহদাংশ মরুভূমিতে পরিনত হয়েছে।
2015_09_07_15_50_33_V7FBh3xsGHsqjHTr6nEl0YkozSGplj_original
গুরি বাঁধ
ভেনেজুয়েলার বলিভার রাজ্যের ক্যারনি নদীর উপরে তৈরি হয় গুরি বাঁধ। পুরো বাঁধটি ৭,৪২৬ মিটার লম্বা এবং ১৬২ মিটার উচু। মূলত ১৯৬৩ সালে বাঁধটির কাজ শুরু হয়ে ১৯৭৮ সালে শেষ হয়। তবে ২০০৯ সালে এই বাঁধের ক্ষমতা বাড়ানোর ফলে ১০,২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এই বাঁধটির কারণে গোটা লাতিন আমেরিকার ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর বিস্তার চাপ পরছে বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন।
2015_09_07_15_51_11_H1wsik3CzoocrpdM4NWm7p9TjF1pJh_original
ফোর্ট পিক বাঁধ
বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বাঁধটি হলো ফোর্ট পিক। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি নদীর উপর ৬,৪০৯ মিটার লম্বা এই বাঁধটি নির্মানে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। তারপরেও ক্যাটরিনার মতো ঘুর্ণিঝড়ের প্রকোপতায় মিসৌরি নদীর পানি বাড়লে গোটা মনটানা অঞ্চলটি প্লাবিত হয়ে গিয়েছিল। ক্যাটরিনা পরবর্তী সময়ে এখনও মনটানা-মিসৌরি অঞ্চলের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়নি।
রেল স্টেশনের ভূত (বস্তব)

রেল স্টেশনের ভূত (বস্তব)

১২:৩৯ PM Add Comment
রেল স্টেশনের পিশাচ !!
ঈশ্বরদীর সাথে রাজশাহীর যোগাযোগ পাকা পোক্ত করতে ইংরেজ সরকার রেল লাইনের কাজ দ্রুত করছিল। এই কাজের সমস্ত দায়িত্ব পেয়েছিল জোনাথন হার্ট নামে এক খিট খিটে ইংরেজ বুড়ো।
রেল লাইন তৌরীর কাজ শুরু হবার কয়েকদিনের মাথায় একটা অঘটন ঘটে গেল। গুদাম ঘর থেকে একটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ চুরি হয়ে গেল। স্বভাবতই এর সমস্ত দায়ভার গিয়ে পরল দাড়োয়ান নিপিন মন্ডলের উপর। কিন্তু বেচারা নিপিন একেবারেই সাদাসিধা লোক। তবে পাহাড়া দেবার সময় তার ঘুমানোর বদ অভ্যাস আছে। তাই সে এই অভিযোগ জোড় গলায় অস্বীকার করতে পারলনা।
২১ শে জানুয়ারী, ১৯৩৮।
বাইরে প্রচণ্ড শীত পরেছে। রেল লাইনের লোহা আর ইস্পাত এই ঠান্ডাকে যেন আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। নিপিন মন্ডল ঘুম ঘুম চোখে চেয়ে চেয়ে বাইরে দেখছে। কিন্তু কুয়াশার কারণে কিছুই দেখতে পাচ্ছেনা। তার মনে হচ্ছে চাদড়টা কে আরেকটু জড়িয়ে চেয়ারে গা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু বুড়ো ইংরেজের ভয়ে তাও সম্ভব না। ভিটে মাটি নেই, এখান থেকে চাকুরী চলে গেলে কি করে খাবে সে? মিছে অপবাদে এমনিতেই তার চাকুরীর অবস্থা টলমলে। এভাবে নানা কথা ভাবতে ভাবতে চিন্তায় নিপিনের চোখ থেকে ঘুম ছুটে গেল।
বেশ কিছুক্ষণ এভাবেই কেটে গেল। নিপিনের আলসে চোখদুটি ঘুমিয়ে পড়তে প্রস্তুত, ঠিক সেই সময়েই খুব কাছ থেকেই শব্দ পেল নিপিন। ঘুম কাতুরে চোখদুটি চারদিকে চেয়ে চেয়ে দেখতে লাগল। হাড়িকেনের আলোয় বাইরে আবছা যা দেখা যাচ্ছে তাতে সব কিছুকেই নিপিনের কাছে ভূত বলে মনে হচ্ছে। কিন্তু সে জীবন্ত কিছুর পায়ের আওয়াজ পেয়েছে। বাতাস নেই কোন কিছু নড়বার সুযোগ নেই। নিপিন শব্দের উৎসের দিকে চেয়ে থাকল। কিন্তু ঠিক বিপরীত দিক থেকে সে আবার আওয়াজ পেল, এবার সে নড়ে চড়ে বসল। পেছনে ফিরে চাইল। দেখল কালো মত কিছু একটা সরে গেল, কিন্তু কী তা বুঝলো না। বেশ কিছুক্ষণ সে সেই দিকে চেয়ে থাকল, এক সময় সে আন্দাজ করতে পারল, আসলে তার সামনে কোন কিছুর অস্তিত্ত নেই, তার কানের পাশে সে ঠান্ডা কোন কিছুর অস্তিত্ত পেল। ঝট করে ঘুরল, ঘুরেই দেখে কালো পোষাক পরা কোন কিছু তার সামনে দাঁড়িয়ে। মূহুর্তের মধ্যেই হাড়িকেনটি ধপ করে নিভে গেল। নিপিন শুধু দেখতে পেল তার চোখের সামনে কেউ তার পাঁচ আঙ্গুল মেলে ধরে আছে। সে চিৎকার করতে গিয়েও করতে পারছেননা।
২২শে জানুয়ারী, ১৯৩৮।
গত কাল সন্ধ্যে পর্যন্ত যেখানে চুরির মামলায় সকলেই ব্যস্ত ছিল আজ সেখানে নিপিন নিপিন করে সবাই ব্যস্ত। ওর পরিবারের লোকেরা কেউ ওর কোন লাশেরও গন্ধ পাচ্ছেনা। স্টেশন মাস্টার রুস্তম বেপারী রাত ২টা বাজেও নিপিনকে দেখেছে চেয়ারের উপর বসে থাকতে। তারপরে আর কেউ দেখেনি তাকে।
সারাদিন অপেক্ষার পর বুড়ো জোনাথন হার্ট এল। এসেই রুস্তমের দিকে আড় চোখে বারবার চাইতে লাগল। কিন্তু লাশ না পাওয়া যাওয়ায় কাউকেই খুনের দায়ে দোষারোপ করতে পারবেনা কেউ। নিপিন আদৈ মরেছে কিনা তাও কেউ জানেনা। জোনাথন হার্টের ভাব ভঙ্গিতে রুস্তম বুঝে গেছে কোন মতে যদি নিপিনের লাশ পাওয়া যায় তাহলে খুনের দায়ে এই ইংরেজ তাকে ফাসিয়ে দিবে। তাই যেভাবেই হোক, নিপিনকে খুজে বের করতে হবে।
এদিকে রাত বাড়ার আগেই বুড়ো ইংরেজ গুদামঘর ও এর আশে পাশে পাহাড়া বসিয়ে দিল।
২৫শে জানুয়ারী, ১৯৩৮।
 তিন দিনের মাথায় নিপিনের গল্প বলা সকলে বন্ধ করে দিয়েছে, কারণ এবার কাহিনীর মোড় নিয়েছে অন্য দিকে। গত দুই দিন থেকেই রাতের বেলায় গ্রামের অনেকেই দেখেছে কেউ হাড়িকেন হাতে করে ঠিক নিপিনের মত করেই রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। নিপিনদের সমাজ থেকে বলা হচ্ছে এটা নিপিনের অতৃপ্ত আত্মা। অন্যরা তা শুনে দিনের বেলায় মুচকি হেসে রাতে খুব তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করছে।
এইদিকে রুস্তমের কারো কথায় কান দেবার সময় নেই। আজই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পুলিশ এসেছিল। তারা তাকেই সন্ধেহ করছে। সে জন্য যেভাবেই হোক নিপিনকে জীবিত কিংবা মৃত পেতে হবে। জীবিত পেলে বুড়োকে এক হাত নেয়া যাবে আর মৃত পেলে লাশ গুম করতে হবে।
রাত ২টা
বাইরে কেউ ফুপিয়ে কাঁদছে। ভূতুরে মেয়ে কান্না নয় সেটা। গম্ভীর গলার নাকি সুর। রুস্তমের সমস্ত শরীরের লোম দাঁড়িয়ে তার ভয়ের জানান দিচ্ছে। সে স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছে কেউ কাঁদছে। কিন্তু কে কাঁদছে তা বের হয়ে দেখার সাহস হচ্ছেনা। ভয় কাটাতেই রুস্তম হাড়িকেনের আলো বাড়াতে টেবিলের উপরে হাত দিল। অসাবধানতা বশত টেবিলের উপরে তালার চাবির উপরে হাত পরল। সেটি রাতের নিস্তব্ধতাকে কাটিয়ে ঝনঝন আওয়াজ করে মাটিতে আছড়ে পরল। সাথে সাথেই বাইরের কান্নার আওয়াজ বন্ধ হয়ে গেল। কারো ধুপ করে মাটিতে পরে যাবার আওয়াজ আসল। রুস্তম কি করবে ভেবে পাচ্ছিলনা। কিছুক্ষন সময় নিয়ে সে সিদ্ধান্ত নিল বাইরে বের হবে। হাড়িকেনের আলো বাড়িয়ে দিয়ে সে বাইরে বের হয়ে এল। বাইরে শুধু কুয়াশা দেখতে পেল। কেউ নেই। ভয় পেল এই ভেবে কে এতক্ষণ কাঁদছিল? নিপিনের আত্মা! কিছুক্ষণ পরেই রুস্তম কারো হেঁটে যাবার আওয়াজ পেল। স্বভাবতই হাড়িকেনটা সে আওয়াজের দিকে ধরল। আবছা আলোয় চাদড় পরিহিত অবস্থায় কাউকে সে দেখল। মনে পরে গেল গ্রামবাসীর কথা। আবার ভাবল সে কেন তার কোন ক্ষতি করছেনা? এই সাহস নিয়েই চাদড় পরা লন্ঠন ধারির পিছু নিল। বাইরে ফাঁকা জায়গায় এসে সেতিকে দেখে তার নিপিনই মনে হল। কারন চাদর আর হাড়িকেন দুটিকেই তার নিপিনের মনে হল। পাচ বছর ধরে এক সাথে আছে তারা। রুস্তম সাহস করে ডাকল, ‘এ্যাই নিপিন’। কিন্তু সেটা পিছনে ফিরে তাকালো না। আগের গতিতেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। এদিকে রুস্তম এই লণ্ঠনধারীর পেছনে আসতে আসতে গোরস্থান পর্যন্ত চলে এসেছে। কিন্তু সেটা আর থামছে না। এবার রুস্তম পুরো ভয় পেয়ে গেল। ওটার সাথে গোরস্থানের ভেতরে ঢুকবার সাহস পেলনা। ঠায় দাঁড়িয়ে বেশ কিছুক্ষণ কী করবে তা ভাবল। তারপর স্টেশনে ফিরে আসতে লাগল।
ষ্টেশনের খুব কাছা কাছি আসার পর রুস্তম বুঝতে পারল কেউ তার পিছু নিয়েছে। তাই সে একটি রেলগাড়ির বগির আড়াল হল। আরো কাছাকাছি কারো আওয়াজ পাওয়াতে সে ভয় পেয়ে বগির ভেতরেই ঢুকে গেল। ভেতরে আসতেই দম বন্ধ হবার যোগাড়। সে হাড়িকেন উচিয়ে চারদিকে তাকাতেই নিপিনের চাদড়টি দেখতে পেল। সামনে এক কদম আগাতেই পিচ্ছিল কোন কিছু উপরে পা পড়তেই ধরাম করে নরম কিছুর উপর গিয়ে পড়ল রুস্তম। তার শরীরের নিচে নরম কি আছে তা দেখতে যেয়েই দেখল তার দিকে এক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে সাদা চেহারার প্রায় রক্তিম লাল দুটি চোখ যেন ঠিকরে বেরুচ্ছে। আর সেটির হাত তার ঘাড়ের উপরে।
২৬শে জানুয়ারী, ১৯৩৮।
রাত পার হয়ে সকাল হল। রুস্তম অবচেতন ভাবে সেই পরিত্যক্ত ট্রেনের বগিতেই পরে রইল। যখন চেতন পেল নিজেকে একটি মরা লাশের উপর আবিষ্কার করল। মাথার উপরে এমন আঘাতের পর বেঁচে আছে তাতেই সে আশ্চর্য, তার উপর প্রায় পচে যাওয়া জোনাথন হার্টের সহকারী রর্বাট ইউলিয়াম এর মরা লাশ কোথা থেকে এল তারই কোন হদিস পেলনা। এই ঘরটাই বা কেন এত সাজানো গোছানো? মনে হয় কেউ এর মধ্যে নিয়মিত বসবাস করত। একেতো নিপিনকে হত্যার দায়ে তাকে সন্দেহ করছে বুড়ো, তার উপরে এমন মরা লাশের পাশে তাকে কেউ দেখলে নিশ্চিত ফাঁসির দড়িতে ঝোলাবে তাকে। তাই সে খুব সতর্কতার সাথে বগি থেকে নেমে এল।
বাইরে কে বা কারা পুলিশের সাথে কথা বলছে। রুস্তম বের হয়ে আসতেই চার পাঁচজন পুলিশ তার সামনে এসে দাঁড়াল। তারমানে এগুলো সাজানো নাটক, রাতে তাকে ফাসাবার জন্যই ধাওয়া করা হয়েছিল যাতে কোনমতে তাকে এখানে ঢুকিয়ে পুলিশের কাছে চাক্ষুষ প্রমাণ করা যায়। বুড়ো ইংরেজ সাথেই ছিল, তাকে দেখা মাত্রই খেকিয়ে উঠল, “দিস ইজ দ্যা বাস্টার্ড কিলার, এরেস্ট হিম”। যথারীতি ধরা খেল রুস্তম ।
২৭ সে জানুয়ারী, ১৯৩৮।
গত কালকের পুলিশি রিমান্ডের পর রুস্তম গত পরশু রাতে কি কি করেছিল সব পুলিশকে বলল, তাতেই আজ রুস্তম হিরো বনে গেল আর শয়তান ইংরেজ বুড়ো হল খুনের আসামী। কারণ রুস্তমের বর্ণনা মতে পুলিশ সে স্থানে আসল ঠিক যেখান থেকে সেদিন মাঝ রাতে কান্নার আওয়াজ শুনতে পেয়েছিল রুস্তম। পুলিশ সেখানকার মাটি আলগা পেল। মাটি খুরে এক হাত যাবার পরেই দেখা গেল মাটির তলায় জোনাথন হার্টের মাঝবয়সী স্ত্রীর লাশ। ঘটনার আরো বেশি তদন্ত করতে বুড়োর বাড়ির কাজের মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল। তাতে সে বলল যে বেশ কয়েকদিন ধরেই তাদের দুই জনের বনিবনা হচ্ছিলনা। ইংরেজী না বুঝায় আসলে কি নিয়ে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল তা সে বলতে পারেনা। রবার্টের কথা জিজ্ঞেস করাতে মেয়েটি বলল যে, বাড়িতে সাহেব না থাকলে প্রায়ই জোনাথন হার্টের স্ত্রী রবার্টের সাথে বাইরে বের হয়ে যেত।
পুলিশ এবার রবার্টের মূল হত্যাকারী কে তা বুঝতে পারল। পরিত্যক্ত ট্রেন বগির ভেতরের বিভিন্ন আলামতে এটাই প্রমাণিত হল যে, রবার্টের সাথে ইংরেজ বুড়োর স্ত্রীর পরিণয় চলছিল। এটা স্বামী হিসেবে জোনাথন মানতে পারেনি। তাই প্রথমে স্ত্রীকে বাধা দিয়ে এর কোন সুফল না পাওয়ায় তাকে হত্যা করে রুস্তমের ঘরের কোণায় তাকে পুতে রেখেছিল, কারণ ঘরের পেছনে খুব কম মানুষের আসা যাওয়া ছিল। নিপিনের ব্যাপারেও পুলিশ জানতে পাড়ল যে, রবার্টকে হত্যা ও স্ত্রী কবর দেবার কাজে নিপিনের সাহায্য নিয়েছিল বুড়ো। তাকে লাশ পাহারায়ও কাজে লাগিয়েছিল। আর সেদিন রুস্তম যে কান্নার আওয়াজ পেয়েছিল তা জোনাথনের। বুড়ো বয়সে স্ত্রী হত্যা করে একাকী হয়ে যাওয়ায় সে তার কবরের পাশে বসে বিলাপ করছিল। খুত খুতে স্বভাবের হওয়ায় নিপিনকেও সে মেরে ফেলে যাতে এর কোন প্রমাণ না থাকে। কিন্তু নিপিনের লাশ রবার্টের সাথেই ছিল। সেটা পাওয়া গেলনা। পাওয়া গেল শুধু হাড়িকেন ও চাদর।
রাত ২টা
বেকসুর খালাস পেয়েছে রুস্তম। কিন্তু চিন্তা হচ্ছে নিপিনের লাশটি নিয়ে। জোনাথনের গ্রামের রাস্তা দিয়ে হেটে আসার প্রশ্নই আসেনা। কারণ তার বাড়ি ষ্টেশনের পেছনেই। তাহলে নিপিনের মত করে চাদর আর হাড়িকেনের সাথে কে হেটে গিয়েছিল সেদিন? গ্রামের কেউ কেউ তা দেখেছিলও। নানা কথা চিন্তা করতে করতে রুস্তম ঘরের মেঝেতে হাত দিল, তারপর কেমন যেন সব চিন্তা দূর হয়ে গেল এই ভেবে, মেঝের তলায় যে ট্রান্সমিটারটা চুরি করে পুতে রাখা হয়েছে তার ভাগ সে একাই নিচ্ছে।
রুস্তমের চিন্তায় ছেদ পরল। বাইরে কারো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। এত রাতে বাইরে আবার কে আসবে সে ভেবে পেলনা। পাহারাদারদের অনুপস্থিতিতে চুরি করার পাঁয়তারা করছেনাতো কেউ! রুস্তম উৎসাহ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে গুদাম ঘরের দিকে হাঁটা দিল। কিছুদূর যাবার পর থমকে দাঁড়াল। কে যেন নিপিনের চেয়ারটাতে বসে আছে। পাশেই হাড়িকেনের আলো নিভু নিভু হয়ে জ্বলছে। জোনাথনতো পুলিশকে বলেছিল নিপিনকে সে মেরে ফেলেছে। তবে এটা কে? রুস্তম ভেবে পেলনা। এই শীতের রাতেও সে ঘামতে লাগল। কোন কথারও জবাব দিচ্ছেনা সেই ছায়ামূর্তি। রুস্তম নিজেও তার ঘর থেকে একশো ফুট দূরে দাঁড়িয়ে। এখন তার মনে হচ্ছে দৌড় দিয়ে তার ঘরে চলে যায়, কিন্তু তার পা চলছেনা, যেন পাথর হয়ে গেছে। কোন রকমে শরীরটাকে অচল পায়ের সাহায্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে লাগল। কিছুদুর যেয়েই একবার পেছন ফিরে চাইল। তারপর যা দেখল তাতে রুস্তমের পুরো শরীরটাই পাথর হয়ে গেল। এখন যে শুধু ফাঁকা চেয়ারটাই পরে আছে। হাড়িকেন শুদ্ধ সেই ছায়া মূর্তি গায়েব। রুস্তমের শরীর ব্যাস্ত না হতে পাড়লেও চোখদুটি ঠিকই সেই ছায়ামূর্তিটিকে খুজতে লাগল। কিন্তু সেটি কোথাও নেই।
রুস্তম গাঢ় অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকল। তার হাড়িকেনটাও নিভে গেছে তেলের অভাবে। আর কয়েক সেকেন্ড আগে থেকেই সে তার পেছনে কারো উপস্থিতি সে টের পাচ্ছে। ঠান্ডা নিঃশ্বাস নিচ্ছে সেটি ঠিক তার ঘাড়ের উপর।

মসজিদে কোরআন তেলাওয়াত করছে জীন। (ভিডিও সহ)

১২:১২ PM Add Comment
মসজিদে বসে কোরআন তেলাওয়াত করছে জীন। সুবাহানাল্লাহ। দেখুন ভিডিওতে।
তবে এটি ইউটিউব-এ পাওয়া ভিডিও।কোন মসজিদে এমন ঘটনা ঘটেছে বা এর সত্যতা সর্ম্পকে আমাদের হাতে কোনো তথ্য নেই।
মসজিদে বসে কোরআন তেলাওয়াত করছে জীন। সুবাহানাল্লাহ। দেখুন ভিডিওতে।
তবে এটি ইউটিউব-এ পাওয়া ভিডিও।কোন মসজিদে এমন ঘটনা ঘটেছে বা এর সত্যতা সর্ম্পকে আমাদের হাতে কোনো তথ্য নেই।
মসজিদে বসে কোরআন তেলাওয়াত করছে জীন। সুবাহানাল্লাহ। দেখুন ভিডিওতে।
তবে এটি ইউটিউব-এ পাওয়া ভিডিও।কোন মসজিদে এমন ঘটনা ঘটেছে বা এর সত্যতা সর্ম্পকে আমাদের হাতে কোনো তথ্য নেই।
মসজিদে বসে কোরআন তেলাওয়াত করছে জীন। সুবাহানাল্লাহ। দেখুন ভিডিওতে
(Visited 666 times, 2 visits today)
যেখানে প্রতিবছর কবর থেকে তোলা হয় মৃত ব্যক্তিকে!

যেখানে প্রতিবছর কবর থেকে তোলা হয় মৃত ব্যক্তিকে!

১২:০৪ PM Add Comment
Pic_bg_112897900






জীবনে অনেক অদ্ভুত আচারানুষ্ঠানিকতার কথা শুনেছেন বা দেখেছেন। বাজি ধরে বলতে পারি, ইন্দোনেশিয়ার বিচিত্র এক রীতি ছাড়িয়ে যাবে আপনার আগের সব অভিজ্ঞতাকে! আচারানুষ্ঠানটির নাম ‘মাইনেনে’বা মরদেহ পরিষ্কারের অনুষ্ঠান।
দেশটির দক্ষিণ সুলাওয়েসির তোরাজা গ্রামের রীতি হলো, প্রতিবছর মৃত স্বজনদের কবর থেকে তুলে মরদেহ পরিষ্কার করা।
শুধু পরিষ্কার করেই ক্ষান্ত হন না তারা, মরদেহকে নতুন কাপড় পরিয়ে, যেখানে তিনি মারা গিয়েছিলেন সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সোজাপথে আবার ফিরিয়ে আনা হয় কবরে।
জানা যায়, মারা যাওয়ার পর বিশেষ উপায়ে তাদের মমি করে সমাহিত করা হয়। মমি করে রাখার ফলেই বহুদিন পর্যন্ত মরদেহ অনেকটা অবিকৃত অবস্থায় থাকে।
এমনকি শিশুদেরও তোলা হয় কবর থেকে। তাদেরও বাহারি পোশাকে সাজিয়ে, পুতুলসহ ঘুরিয়ে আনা হয়।
প্রতিবছর আগস্ট মাসে চলে এই মরদেহ পরিষ্কারের রীতি। টোরাজানবাসীর বিশ্বাস, এতে করে মৃত ব্যক্তির আত্মা আবার গ্রামে ফিরে 
টাকার বিনিময়ে পর পুরুষের সন্তান গর্ভে ধারন!

টাকার বিনিময়ে পর পুরুষের সন্তান গর্ভে ধারন!

১১:৪৭ AM Add Comment
0,,16585938_303,00
নিউজ ডেস্ক : তাঁরা অন্যের মুখে হাসি ফোটান৷ বিনিময়ে তাঁরা নিজেদের পরিবারে হাসি আনতে চান৷ কিন্তু সেটা সবসময় সম্ভব হয় না আইন না থাকার কারণে৷ আর এর জন্য কিছুটা দায়ী ভারতের সাংসদরা৷
হয়ত অনেকে বিষয়টি বুঝতে পারলেন না৷ কথা হচ্ছে ভারতের গর্ভ ভাড়া দেয়া নারীদের নিয়ে৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই নারীরা দরিদ্র৷ আর তাই পরিবারে সুখ আনতে নিজেদের গর্ভ ভাড়া দিয়ে থাকেন তাঁরা৷ এই দরিদ্র নারীদের দিয়েই ব্যবসা করে যাচ্ছেন এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ও বেসরকারি হাসপাতাল৷ ভারতে গর্ভ ভাড়া বা সারোগেসি বাণিজ্যের বাজার এখন প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার মতো৷ কারণ আইন না থাকা ও খরচ কম হওয়ার কারণে বিদেশি সন্তানহীন দম্পতিরা ভারতে বেছে নেন সন্তান লাভের জন্য৷
৬৬ বছর বয়সি সাখারাম ভাগতের এখন মোট তিনজন স্ত্রী৷ ওঁদের একজনের নাম সাখরি, পরের জন টুকি এবং তৃতীয় বউ ভাগি৷ ‘‘আমার প্রথম স্ত্রীকে সন্তানদের দেখাশোনা করতে হয়, তাই পানি আনার জন্য দ্বিতীয় বিয়ে করি৷ কিন্তু দ্বিতীয় স্ত্রী যখন অসুস্থ হয়ে যায়, তখন পানি আনতে ভীষণ সমস্যা হতো৷ তাই তৃতীয়বার বিয়ে করি আমি’’, বলেন শাখারাম৷
কিন্তু এই যে এত টাকার বাণিজ্য হচ্ছে তার খুব সামান্যই পাচ্ছেন গর্ভ ভাড়া দেয়া নারীরা৷ শুধু তাই নয়, এসব নারীরা দরিদ্র ও অল্পশিক্ষিত হওয়ায় অনেক সময় তাদের না জানিয়েই তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এমন সব সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা৷ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা গেছে একটি গবেষণায়৷ ভারত ও ডেনমার্কের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় জানা গেছে, কিছু সংখ্যক চিকিৎসক সাফল্য নিশ্চিতের আশায় গর্ভ ভাড়া দেয়া নারীকে না জানিয়েই তার গর্ভে পাঁচ থেকে ছয়টি ভ্রূণ প্রবেশ করিয়ে থাকেন৷ অথচ চিকিৎসাশাস্ত্র বলছে এটি ঠিক নয়৷ এক্ষেত্রে গর্ভ ভাড়া দেয়া নারীর জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে৷
এই বিষয়গুলোর সমাধান করতে পাঁচ বছর আগে ভারত সরকার কৃত্রিম উপায়ে গর্ভাধান নিয়ন্ত্রণ বা ‘অ্যাসিস্টেট রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি বিল’ এর খসড়া তৈরি করেছিল৷ কিন্তু বিলটি এখনো সংসদে পাস হয়নি৷ অথচ সেটা হলে গর্ভ ভাড়া নারীদের জন্য ভালো হতো বলে মনে করেন দিল্লির সাংবাদিক অমৃত ধীলন৷ বিলটি এখনও পাস না করায় তিনি ভারতের সাংসদদের কড়া সমালোচনা করেছেন৷ ধীলনের এই বক্তব্যটি টুইটারে শেয়ার করে এ ধরনের বক্তব্যের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্যাট্রিসিয়া রোক্কো
দেখে নিন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানুষটিকে

দেখে নিন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানুষটিকে

১০:৩২ AM Add Comment
werh
৭৫ বছর বয়সে চলে গেলেন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানুষ নেপালের চন্দ্র বাহাদুর দাঙ্গি। শুক্রবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের শাসনাধীন আমেরিকান সামোয়া দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পাগো পাগোর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
চন্দ্র বাহাদুর দাঙ্গির উচ্চতা ছিল মাত্র ২১ দশমিক পাঁচ ইঞ্চি। ২০১২ সালে ক্ষুদ্রতম মানুষ হিসেবে গিনেজ বুকে তার নাম রেকর্ড করা হয়।
দাঙ্গির পারিবারিক বন্ধু ভারতের পুনের র্যা ম্বো সার্কাসের মালিক সুজিত দিলিপ বলেন, ‘বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানুষটি, যাকে আমরা ভালোবেসে প্রিন্স চন্দ্র বলে ডাকতাম তার চিরবিদায়ে আমাদের সার্কাস শোক সাগরে ভাসছে।’
পাগো পাগোর যে হাসপাতালটিতে চন্দ্র বাহাদুর চিকিৎসাধীন ছিলেন সেই লিন্ডন বি জনসন ট্রপিকাল মেডিক্যাল সেন্টারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ঠিক কোন রোগে দাঙ্গির মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে তিনি নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন বলে কাঠমান্ডু পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। তাকে নেপালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। তবে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাড়ে সাত হাজার মাইল দূরে আমেরিকান সামোয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় তিন শ ৩৫ মাইল দক্ষিন-পশ্চিমের রিমখোলি গ্রামে বাস করতেন দাঙ্গি। ক্ষুদ্রতম মানুষ হিসেবে গিনেজ বুকে নাম ওঠার আগে দরিদ্র দাঙ্গি টেবিলে বিছানোর কাপড় ও মাথার ফিতা তৈরি করতেন।
চন্দ্র বাহাদুরের আগে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতির মানুষের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন ফিলিপাইনের নাগরিক জানরে বালাউয়িং। তাঁর উচ্চতা ছিল ২৩ দশমিক ৫৯ ইঞ্চি।
৭৫ বছর বয়সে চলে গেলেন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানুষ নেপালের চন্দ্র বাহাদুর দাঙ্গি। শুক্রবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের শাসনাধীন আমেরিকান সামোয়া দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পাগো পাগোর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
চন্দ্র বাহাদুর দাঙ্গির উচ্চতা ছিল মাত্র ২১ দশমিক পাঁচ ইঞ্চি। ২০১২ সালে ক্ষুদ্রতম মানুষ হিসেবে গিনেজ বুকে তার নাম রেকর্ড করা হয়।
দাঙ্গির পারিবারিক বন্ধু ভারতের পুনের র্যা ম্বো সার্কাসের মালিক সুজিত দিলিপ বলেন, ‘বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানুষটি, যাকে আমরা ভালোবেসে প্রিন্স চন্দ্র বলে ডাকতাম তার চিরবিদায়ে আমাদের সার্কাস শোক সাগরে ভাসছে।’
পাগো পাগোর যে হাসপাতালটিতে চন্দ্র বাহাদুর চিকিৎসাধীন ছিলেন সেই লিন্ডন বি জনসন ট্রপিকাল মেডিক্যাল সেন্টারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ঠিক কোন রোগে দাঙ্গির মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে তিনি নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন বলে কাঠমান্ডু পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। তাকে নেপালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। তবে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাড়ে সাত হাজার মাইল দূরে আমেরিকান সামোয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় তিন শ ৩৫ মাইল দক্ষিন-পশ্চিমের রিমখোলি গ্রামে বাস করতেন দাঙ্গি। ক্ষুদ্রতম মানুষ হিসেবে গিনেজ বুকে নাম ওঠার আগে দরিদ্র দাঙ্গি টেবিলে বিছানোর কাপড় ও মাথার ফিতা তৈরি করতেন।
চন্দ্র বাহাদুরের আগে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতির মানুষের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন ফিলিপাইনের নাগরিক জানরে বালাউয়িং। তাঁর উচ্চতা ছিল ২৩ দশমিক ৫৯ ইঞ্চি।
৭৫ বছর বয়সে চলে গেলেন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানুষ নেপালের চন্দ্র বাহাদুর দাঙ্গি। শুক্রবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের শাসনাধীন আমেরিকান সামোয়া দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পাগো পাগোর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
চন্দ্র বাহাদুর দাঙ্গির উচ্চতা ছিল মাত্র ২১ দশমিক পাঁচ ইঞ্চি। ২০১২ সালে ক্ষুদ্রতম মানুষ হিসেবে গিনেজ বুকে তার নাম রেকর্ড করা হয়।
দাঙ্গির পারিবারিক বন্ধু ভারতের পুনের র্যা ম্বো সার্কাসের মালিক সুজিত দিলিপ বলেন, ‘বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানুষটি, যাকে আমরা ভালোবেসে প্রিন্স চন্দ্র বলে ডাকতাম তার চিরবিদায়ে আমাদের সার্কাস শোক সাগরে ভাসছে।’
পাগো পাগোর যে হাসপাতালটিতে চন্দ্র বাহাদুর চিকিৎসাধীন ছিলেন সেই লিন্ডন বি জনসন ট্রপিকাল মেডিক্যাল সেন্টারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ঠিক কোন রোগে দাঙ্গির মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে তিনি নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন বলে কাঠমান্ডু পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। তাকে নেপালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছিল। তবে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাড়ে সাত হাজার মাইল দূরে আমেরিকান সামোয়াতে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় তিন শ ৩৫ মাইল দক্ষিন-পশ্চিমের রিমখোলি গ্রামে বাস করতেন দাঙ্গি। ক্ষুদ্রতম মানুষ হিসেবে গিনেজ বুকে নাম ওঠার আগে দরিদ্র দাঙ্গি টেবিলে বিছানোর কাপড় ও মাথার ফিতা তৈরি করতেন।
চন্দ্র বাহাদুরের আগে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতির মানুষের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন ফিলিপাইনের নাগরিক জানরে বালাউয়িং। তাঁর উচ্চতা ছিল ২৩ দশমিক ৫৯ ইঞ্চি।
প্রাচীন পৃথিবীর পূণাঙ্গ রূপ পেয়েছে এই পাথরের জঙ্গল!

প্রাচীন পৃথিবীর পূণাঙ্গ রূপ পেয়েছে এই পাথরের জঙ্গল!

৫:০২ PM Add Comment
stone
জঙ্গল সাধারণত হাজার হাজার পশু-পাখি, গাছপালাতে ঢাকা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। গাছের ভীড়ে চারিদিকের পরিবেশটা হবে বেজায় অন্ধকার। কিন্তু যেদিক চোখ বুলানো যাক না কেন পাথর আর পাথর। পাথর ছাড়া অন্য কিছু দেখাই যায় না-এমন কোন স্থানের নাম শুনেছেন কখনো? পাথরগুলো এতো বড় আর এতা বেশী সংখ্যক যে. আপনি তাকে পাথরের জঙ্গল ছাড়া অন্য কিছু বলতেই পারবেন না।
চীনের প্রাচীর সম্পর্কে বিশ্বের কারও অজানা নয়। কিন্তু চীনে এমন এক পাথরের জঙ্গলও রয়েছে যা পাথর দিয়ে বানানো হয়েছে। জঙ্গলটি একলাখ একর বেস্টনিতে অবস্থিত।
চীনের দক্ষিণে অবস্থিত এ পুরাতন জঙ্গলটি সবুজ গাছ গাছালিতে ঘেরা। জঙ্গলটি ইউনান প্রদেশের কুনমিং শহর থেকে ৫০ মাইল দূরত্বে অবস্থিত। জঙ্গলটির মাঝখানে সিঁড়িও বানানো হয়েছে। যাতে করে মানুষ সিঁড়িতে চড়ে জঙ্গলের মাঝখানে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জঙ্গলটি পূণাঙ্গ রূপ পেতে সময় লেগছে ২৭০ মিলিয়ন বছর । এই জঙ্গলটিতে গুহা ও ক্যাসকেডও রয়েছে।
সূত্র: নিউজ এক্সপ্রেস
চীনারা মাত্র ৩ মাসে তৈরি করবে পৃথিবীর সবচেয়ে উচু ভবন।

চীনারা মাত্র ৩ মাসে তৈরি করবে পৃথিবীর সবচেয়ে উচু ভবন।

১১:১৮ AM Add Comment
এ বছর শেষের দিকে চীনে তৈরি হবে পৃথিবীর সবচেয়ে উচু ভবন। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে ২০০ তলা এ ভবনটি তারা মাত্র ৯০ দিনে তৈরি করবে বলে জানিয়েছে। এর আগে মাত্র ৬ দিনে ১৫ তলা একটি ভবন তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল চীনারা। এবার তারই পথ ধরে ৯০ দিনে তৈরি হবে ২০০ তলা ভবন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবছর শেষের দিকে কাজ শুরু হবার কথা। ভবনটির নাম ঠিক করা হয়েছে “স্কাই সিটি ওয়ান”।

আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে এটা তৈরিও হবে অনেক সস্তায়। মাত্র ৬২৮ মিলিয়ন ডলার খরচ ধরা হয়েছে এটি নির্মাণ করতে। অপেক্ষাকৃত নিচু ভবন বুরুজ খলিফা নির্মাণে যেখানে ১.৫ বিলিয়ন খরচ হয়েছিল, সেখানে ৬২৮ মিলিয়ন ডলার বলতে গেলে অনেক সস্তাই বটে।