আজব খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আজব খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লটারি জিতলেই মিলবে কুমারী মেয়ে !

লটারি জিতলেই মিলবে কুমারী মেয়ে !

৯:১১ PM Add Comment
বিশ্বে এমন দেশ নেই যে দেশে লটারির প্রচলন নেই। লটারি জিতে গরিব থেকে ধনী হয়েছেন অনেকে, অনেককে হতে হয়েছে ভিটেমাটি ছাড়া। কিন্তু ব্রাজিলে লটারিতে মিলছে আজব পুরস্কার।
টিভি, ফ্রিজ, সাইকেল কিংবা নগদ টাকা জেতার কথা তো অনেকেই শুনেছেন। তাই বলে কুমারী মেয়ে? আজ্ঞে হ্যাঁ, এখানে লটারি জিতলে পয়সা না মেলে কুমারী মেয়ে। যদিও এটা চলে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে, পুলিশি নজর বাঁচিয়ে।
এই খেলাটি বিশেষত তাদের জন্য যারা শিশু বা নাবালিকাদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে পছন্দ করে। এইভাবে শিশুদের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন একপ্রকার মানসিক রোগ। যাকে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় পিডোফাইল বলা হয়।
ব্রাজিলে ৪০ লাখ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। দেহব্যবসার ক্ষেত্রে শিশুদের ব্যবহারে এই দেশ বিশ্বে দ্বিতীয়। এই লটারি ব্যবসা প্রচারে এলেও টনক নড়েনি প্রশাসনের। রমরমিয়ে চলছে লটারির নামে দেহব্যবসা।
যে শহরে পোশাক পরতে মানা (ভিডিও সহ)

যে শহরে পোশাক পরতে মানা (ভিডিও সহ)

১০:১৯ AM Add Comment
54711ফ্রান্সের কেপ দাগদে শহরের সমুদ্রসৈকতের দৃশ্য। দ্য গার্ডিয়ান থেকে নেয়া ছবিটি সম্পাদিত
দক্ষিণ ফ্রান্সের অদ্ভুত এক শহরের গল্প শোনাই আজ। কেপ দাগদে নামের ওই সমুদ্র শহরটির গল্প শুনলে অবাক হবেন নিশ্চয়ই, কারণ শহরটিতে গ্রীষ্মকালে বাস করে কেবল নগ্ন মানুষরা!
গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে শহরটিতে ছয় হাজার লোকের বাস। তবে গ্রীষ্মে জনসংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায় শহরটির। কারণ ওই সময়ে মেডিটেরিয়ান সাগরের নীলজলে অবগাহনে আসে আরো ৪০ হাজার মানুষ। যারা আসে তাদেরও আসতে হয় নগ্ন হয়ে- কারণ শহরে যে ওই একই রীতি।
সুন্দর সমুদ্রসৈকত আর নীল জলরাশির শহরটির মেয়রের নাম ফিল হোদ। হোদ নিজেই ওই ‘নগ্নদের’ দলেরই লোক। নিজে এই শহরের সভ্যতার নাম দিয়েছেন ‘প্রাকৃতিক সভ্যতা’ নামে। গার্ডিয়ানের সাথে আলাপ করার সময় জানালেন, প্রকৃতি ও আধুনিকতার মিশেলে শহরটিকে পৃথিবীর একমাত্র নগ্নদের শহর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
নগ্ন নাগরিকদের আরো দাবি, প্রকৃতি মানুষ সৃষ্টি করেছে কিন্তু শহর বা আধুনিকতার অন্যান্য উপাদান সৃষ্টি করেনি। মানুষই এসব সৃষ্টি করেছে আর এসব আধুনিকতার উপাদানের সবচাইতে বড় শিকার মানুষই। তাই ওই ‘তথাকথিত’ আধুনিকতা থেকে দূরে থাকতে নগ্ন শহরের এই আয়োজন।
মেয়র ফিল জানালেন, নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে প্রায় জনশূণ্য এই সৈকতে নগ্নদের আগমণ শুরু। প্রথমে প্রকৃতির সান্নিধ্যের জন্য কিছু মানুষ সুন্দর এই সৈকতে এসে থাকতে শুরু করে। আস্তে আস্তে মেডিটেরিয়ান সাগরের বিখ্যাত নীল জলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে পর্যটক আসতে শুরু করে এখানে। এরপর আস্তে আস্তে গড়ে ওঠে শহর। তবে যতই শহরের স্থাপনা গড়ে উঠুক, একটুও নাকি পাল্টায়নি কেপ দাগদে। এখনো কান পাতলে প্রকৃতির অনন্ত নিঝুমতা আর সাগরের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে পায় মানুষ।
ফিল আরো বলেন, ‘এই শহরে ঢোকার নিয়ম হয়তো একটু অদ্ভুত। কিন্তু একবার এসে কেউ যখন ফিরে যাবে, সাথে নিয়ে যাবেন অনন্য এক স্মৃতি। যা অনুপ্রেরণা জোগাবে বেঁচে থাকার।’ –

জীবন্ত হয়ে গেল মোমের তৈরি মাথা! (ভিডিও)

১১:১৯ AM Add Comment
এই মানুষগুলো মোমের তৈরি কাটা মুন্ডু নিয়ে রাস্তায় বড় ধরণের একটা তামাশাই করলেন পথচারীদের সাথে।
ভিডিওতে দেখা যায়, মোমের পুতুল নিয়ে এক ব্যক্তি ফুটপাত দিয়ে হেঁটে আসতে থাকে। কিন্তু তার আগেই তারা ফুটপাতে একটি ছোট-খাট ম্যানহোলের মত গর্ত করে রাখে।
যেখানে আগে থেকেই কিছু মেয়েকে রাখা হয়। পরিকল্পনা মত গর্তের সামনে আসলেই সে পুতুল থেকে মাথাটি নিচে ফেলে দিতে থাকে। পিছনে থাকা পথচারী ব্যাপারটি খেয়াল করলেই, পাশ থেকে ঐ দলেরই কয়েকজন সাদা বোর্ড নিয়ে ফুটপাত অতিক্রম করার সময় মোমের মুন্ডুটি তুলে নিয়ে যায়। আর গর্ত থেকে উঠে আসে আসল মানুষের মুন্ডু।
তারপর দেখুন, কি কাণ্ডটাই না ঘটে!

দেখে নিন যেখানে সবাই মাটির নিচে বাস করে !

দেখে নিন যেখানে সবাই মাটির নিচে বাস করে !

১২:২২ PM Add Comment
1441631174
মাটির নিচে গ্রাম! ভাবতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। রূপকথার মতো এই গ্রামটির অবস্থান অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে একটি আস্ত শহরই গড়ে উঠেছে মাটির নিচে। কুবের পেডি নামের ওই শহরটি আর পাঁচ আধুনিক শহরের মতোই। অ্যাডিলেড থেকে ৮৪৬ কিলোমিটার উত্তরে। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষের বসবাস শহরটিতে। যেখানে সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!
এই শহরটির জন্ম ১৯১৫ সালে। শহরটির মূল বৈশিষ্ট হল বহুমূল্য রত্নের খনি। opal নামক রত্নটি বিশ্বের ৯৫ শতাংশই পাওয়া যায় কুবের পেডি এলাকা থেকে। শহরটিতে বাইরে থেকে দেখলে তাজ্জব হতে হয়। চারিদিক জনমানব শূন্য। স্থানে স্থানে গুহা। সেই গুহাগুলি থেকে নেমে গিয়েছে সুড়ঙ্গের মতো সিঁড়ি। সেই সিঁড়ি চলে গিয়েছে গভীরে। সিঁড়ি ধরে নীচে নামলেই রূপকথা! যেখানে সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!অত্যাধুনিক বাসস্থান। উচ্চপ্রযুক্তির সরঞ্জাম। রয়েছে দামি হোটেল। সুইমিং পুল।
কেন এই শহর মাটির তলায়?
অস্ট্রেলিয়ার একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চলে তীব্র গ্রীষ্মের দাপট। গ্রীষ্মকালে কুবের পেডি এলাকায় তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাই সেখানকার মানুষ সকলেই মাটির নীচে বাস করেন!
 দুবাই এ তৈরি করতে যাচ্ছে রূপকথার আলাদিনের শহর!

দুবাই এ তৈরি করতে যাচ্ছে রূপকথার আলাদিনের শহর!

১২:০৯ PM Add Comment
1441639379
আলোক উজ্জল ঝলমলে রাস্তার পাশে হিরে-জহরত। সুখের যেন চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। আরব্য রূপকথাতেই তো এই সব পেয়ে এসেছি বরাবর। আর আলাদিনের গল্প। কিশোর মনকে তো বটেই, নাড়া দেয় সব বয়সকেই। রূপকথা আবার সত্যি হয় নাকি! আরব্য উপন্যাস পড়ে আর সেই স্বপ্নের শহর মনে মনে সাজাতে হবে না। গাঁটের ক়ি খরচ করলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে আলাদিনের শহরে। সেরকমই ব্যবস্থা করছে দুবাই।
দুবাই মানেই অর্থ, প্রাচুর্য। ধনকুবেরদের দেশ। এহেন দুবাই এবার তামাম দুনিয়াকে চমকে দিতে চলেছে ‘আলাদিন সিটি’ তৈরি করে। ৪ হাজার একর কমপ্লেক্সে থাকবে এমন সব টাওয়ার, যা দেখলেই মনে পড়ে যাবে আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ ও সিনবাদ, দ্য সেইলরের কথা। দুবাই প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে ৬টি টাওয়ার থাকবে। এর মধ্যে কিছু টাওয়ার তৈরি করা হবে আলাদিনের প্রদীপের মতো। প্রত্যেকটি টাওয়ারের যোগাযোগ রক্ষা করবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্রিজ। সেই ব্রিজটি এমন প্রযুক্তিতে তৈরি করা হবে, যাতে চাপলে মনে হবে আলাদিনের সেই ম্যাজিক কার্পেটে চেপে আপনি উড়ে যাচ্ছেন।
আগামী বছরই এই আশ্চর্য শহর তৈরির কাজে হাত দিচ্ছে দুবাই মিউনিসিপ্যালিটি, জানিয়েছেন পুরসভার ডিরেক্টর জেনারেল হুসেন নাসের লুতাহ। প্রত্যেকটি টাওয়ার হবে ২৬ থেকে ৩৪ তলার। থাকবে অনেক অফিস, অত্যাধুনিক হোটেল এবং ৯০০টি গাড়ি রাখার পার্কিং এরিয়া। এছাড়াও ১ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষ বসবাস করতে পারবেন ওই ‘আশ্চর্য’ শহরে।।২০১৮ সালের মধ্যে আলাদিন সিটি গড়ার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।-টাইমস অব ইন্ডিয়া
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাঁচটি  নদীর ‘বাঁধ’ যা দেখলে আপনি আবাক নি হয়ে পারবেন না

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাঁচটি নদীর ‘বাঁধ’ যা দেখলে আপনি আবাক নি হয়ে পারবেন না

১২:০৪ PM Add Comment
নদী শাসনের এই জামানায় বাঁধ খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়। প্রকৃতির স্বাভাবিক নীতির বিরুদ্ধে গিয়ে মানুষ যখন থেকে নদীর উপর বাঁধ দিতে শুরু করেছে তখন থেকেই ঝামেলার শুরু। নদীর গতিপথকে পাল্টে দিয়ে মানুষ তার নিজের সুবিধার জন্য ভিন্ন ভূমি ও সেই ভূমির মানুষদের পরোক্ষ অর্থে হত্যা করতেও পিছপা হচ্ছে না।
সম্প্রতি ভারত সরকার নদী শাসনের উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি বাঁধ নির্মানের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আর এই নদী শাসনের খেসারত যেমন পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে দিতে হবে তেমনি গোটা বাংলাদেশকেও দিতে হবে। এবারের ইস্যুতে বিশ্বের এমনই কয়েকটি বড় বাঁধের বর্ননা দেয়া হলো, যেগুলো মানবসভ্যতার ইতিহাসে আপাত আর্শীবাদ হিসেবে দেখানো হলেও আখেরে রয়েছে এর প্রচণ্ড নেতিবাচক প্রভাব।
2015_09_07_15_48_46_lF5VlHCnHhvMOprIxmQoSzpoURDc5r_original
থ্রি জর্জেস বাঁধ
চীনের সান্দোপিং শহর পার্শ্ববর্তী ইয়াংজে নদীর উপর বিশ্বের সর্ববৃহত হাইড্রোইলেকট্রিক বাঁধটি তৈরি করা হচ্ছে। দেশটির পরিকল্পনা অনুযায়ী এই বাঁধের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। ২০১২ সালের জুলাই মাসের ৪ তারিখ থেকে মূলত এই বাঁধটি তার কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। বাঁধটির মূল অবকাঠামোর কাজ শেষ হয়েছিল ২০০৬ সালে। কিন্তু বাঁধের একেবারে তলদেশে একটি টারবাইন বসানো নিয়ে ঝামেলা শুরু হওয়ায় বাঁধটির কাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছিল। এই বাঁধটি নিয়ে ভারত-কম্বোডিয়া এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে কয়েকদফা প্রতিবাদ জানানো হয়েছে চীন সরকার বরাবর। কিন্তু দেশটির শাসকরা এই বাঁধ প্রশ্নে কোনো আলাপেই রাজি নয়।
2015_09_07_15_49_22_cNNRJ3XhfwHuKCcyCsKQLxLjKpPJd6_original
ইতাইপু বাঁধ
ব্রাজিল এবং প্যারাগুয়ের মধ্যবর্তী পানামা নদীর উপর তৈরি করা হয়েছে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ ইতাইপু। বৃহত একটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়ার জন্য এই বাঁধটি করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁধটি করার পর ক্রমশ ব্রাজিলের বিভিন্ন স্থানের নদীর গতিপথ পাল্টে যাচ্ছে। যে কারণে ইতোমধ্যেই মহাবন আমাজানের অনেক অঞ্চল বৃক্ষহীন মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। আমাজানের আদিবাসী জনগোষ্ঠি এই বাঁধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালে ব্রাজিল সরকারের নির্যাতনের মুখে তাদের সরে যেতে হয়। শুরুর দিকে এই বাঁধ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের অর্ধেক প্যারাগুয়ের পাওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে ব্রাজিলই বিদ্যুৎ সুবিধা বেশি গ্রহন করছে।
2015_09_07_15_50_03_waaPCjvOGfUd8IbFZLJh4axPkhNnXK_original
তুকুরুই বাঁধ
লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের পারা রাজ্যের তোকাতিন নদীর উপরের বাঁধটির নাম তুকুরুই। এই বাঁধটিও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই ব্যবহার করা হচ্ছে। ১৯৭৫ সালে বাঁধটির কাজ শুরু হয়ে ১৯৯৮ সালে শেষ হয়। যদিও বাঁধটির কাজ চূড়ান্ত অর্থে শেষ হয় ২০১০ সালে। তবে যে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বাঁধটি তৈরি করা হয়েছিল তা মূলত পূরণ হয়নি। উল্টো পারা রাজ্যের বৃহদাংশ মরুভূমিতে পরিনত হয়েছে।
2015_09_07_15_50_33_V7FBh3xsGHsqjHTr6nEl0YkozSGplj_original
গুরি বাঁধ
ভেনেজুয়েলার বলিভার রাজ্যের ক্যারনি নদীর উপরে তৈরি হয় গুরি বাঁধ। পুরো বাঁধটি ৭,৪২৬ মিটার লম্বা এবং ১৬২ মিটার উচু। মূলত ১৯৬৩ সালে বাঁধটির কাজ শুরু হয়ে ১৯৭৮ সালে শেষ হয়। তবে ২০০৯ সালে এই বাঁধের ক্ষমতা বাড়ানোর ফলে ১০,২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এই বাঁধটির কারণে গোটা লাতিন আমেরিকার ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর বিস্তার চাপ পরছে বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন।
2015_09_07_15_51_11_H1wsik3CzoocrpdM4NWm7p9TjF1pJh_original
ফোর্ট পিক বাঁধ
বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম বাঁধটি হলো ফোর্ট পিক। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি নদীর উপর ৬,৪০৯ মিটার লম্বা এই বাঁধটি নির্মানে যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। তারপরেও ক্যাটরিনার মতো ঘুর্ণিঝড়ের প্রকোপতায় মিসৌরি নদীর পানি বাড়লে গোটা মনটানা অঞ্চলটি প্লাবিত হয়ে গিয়েছিল। ক্যাটরিনা পরবর্তী সময়ে এখনও মনটানা-মিসৌরি অঞ্চলের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়নি।