যৌনক্রিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যৌনক্রিয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

কিভাবে প্রেমিকাকে যৌন উত্তেজিত করবেন !

৮:১৫ AM 32 Comments


নারীকে যৌন উত্তেজিত করার চারটি সুত্র

১. সিঙার: বেশির ভাগ নারী মিলনপুর্ব সিঙারে সরাসরি যৌন মিলনের ছেয়ে বেশি তৃপ্তি পেয়ে থাকে। তাই ফোর-প্লে তে অধিক সময় নিন।
২. কল্পনা / ফ্যান্টাসী: শাররীক মিলনকালে অথবা অন্য সময় যৌনতা নিয়ে কল্পনা করা মোটেও ভুল নয়। সঙ্গীর উত্তেজক কর্মকান্ডের সাথে আপনার কল্পনা মিশিয়ে এক সুখকর আবেশে জড়াতে পারেন। কল্পনার রাজ্যে সব পুরুষ রাজা আর তার সঙ্গী রাণীর আসনে থাকে।
৩. সরাসরি মিলনে দেরী করা: নারী, বিশেষ করে তরুনীরা সাধারনত বেশি বেশি চুমা, ছোয়া সহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক যৌন উত্তেজক বিষয় একটু বয়স্কদের চেয়ে বেশি কামনা করে। বয়সবেধে চরম উত্তেজনায় পৌছতে কম/বেশি সময় নিয়ে থাকে। আপনার সঙ্গীর আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে পেনিট্রেশানের আগে আরো কিছু সুখ আদান প্রদান করুন।
৪. ভাইব্রেটর: আমাদের দেশে এখনো সেক্স টয় বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ। তাই নারীকে উত্তেজিত করার জন্য ভাইব্রেটর এর বিকল্প আপনার মধ্যমা আঙুলী দিয়ে তার যোনীর ভিতর জি-স্পট (যৌনাঙ্গের কিছুটা ভিতরে অতি সংবেদনশীল অঞ্চল) এ কম্পন সৃষ্টি করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন কোন অভ্যাস যেন স্থায়ী না হয়ে যায়?
ছেলেদের থেকে মেয়েরা যৌন মিলনে আগ্রহ বেশি কেন ?

ছেলেদের থেকে মেয়েরা যৌন মিলনে আগ্রহ বেশি কেন ?

৮:০৮ AM Add Comment


বিদ্যমান যৌন মিলনের চেয়ে বেশি চান শতকরা ৫০ শতাংশেরও বেশি নারী।  সম্প্রতি ফার্টেইলিটি অ্যাপ কিন্ডারা ৫০০ নারীর উপর জরিপ চালিয়ে এ তথ্য পেয়েছে।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়, শতকরা ৫৩ শতাংশ নারীই বিদ্যমান অবস্থার চেয়ে বেশিবার যৌন মিলন করতে চান। যার মধ্যে ৭৫ শতাংশ নারী চান সপ্তাহে তিন বারের চাইতে বেশিবার যৌন মিলন এবং ১৩ শতাংশ চান ছয় বারের বেশি।
জরিপে উঠে এসেছে নারীদের অর্গাজমের তথ্যও। শতকরা ৩৯ শতাংশ নারী বলেছেন যৌন মিলনের সময় তাদের অন্তত একবার অর্গাজম হয়। যেখানে ১০ শতাংশ নারীর হয় একাধিক বার।
যৌন মিলনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী এ প্রশ্নের জবাবে ৫৩ শতাংশ নারীই বলেছেন মানসিক সম্পৃক্ততা। এর পরের অবস্থানেই ছিল উত্তেজনা যা ছিল ২৩ শতাংশ নারীর মতামত।
যৌন মিলনের পক্ষে সবচে বড় বাঁধা কোনটি? এমন প্রশ্নের জবাবে ৪০ শতাংশ নারীই দোষারোপ দিয়েছেন মানসিক চাপকে।
গোপন অঙ্গের কোন বিষয় গুলো মেয়েরা গোপন রাখে ?

গোপন অঙ্গের কোন বিষয় গুলো মেয়েরা গোপন রাখে ?

৯:৪২ AM Add Comment
 navsds


সামাজিক কারণেই আমাদের দেশের নারীরা নিজের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতন নন। আজও বহু নারী নিজের লজ্জাস্থানে কোন অসুখ হলে সেটিকে লুকিয়ে রাখেন এবং তিল তিল করে নিজেকে ঠেলে দেন বড় একটি অসুখ কিংবা মৃত্যুর দিকে! ঠিক তেমনই একটি অসুখ হচ্ছে গোপন অঙ্গে ইনফেকশন, যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে নারী বুঝতেও পারেন না যে তিনি এই রোগটির শিকার। লজ্জা নয়, সচেতনতা জরুরী। চলুন, বিস্তারিত জেনে নিই নারীর সেই অসুখটির...
কথা যেটা আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মনে হলেও চিকিৎসা করানো খুবই জরুরী!
আপনার যোনির চারপাশে কি চুলকায় প্রায়ই? অস্বস্তি হয়, আশেপাশের চামড়া লাল হয়ে যায়? গোপন স্থানটি থেকে দুর্গন্ধ আসে, অস্বস্তিকর সাদা স্রাব হয় বা প্রস্রাবে জ্বালা পোড়া…
অনেক নারীর ক্ষেত্রেই তেমন কোন লক্ষণ দেখা যায় না বা অনেকের আবার মৃদু লক্ষণ থাকে। নিয়মিত গাইনির ডাক্তার দিয়ে চেকাপ করালে এই অসুখটি থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। সাধারণত যে লক্ষণগুলো দেখা দেয় সেগুলো হচ্ছে-
-গোপন অঙ্গে দুর্গন্ধ হওয়া বা দুর্গন্ধ যুক্ত সাদা স্রাব হওয়া
-প্রস্রাবের জন্য জ্বালা পোড়া করা ও ব্যথা হওয়া
-যোনির চারপাশে চুলকানি ও অস্বস্তি
-অনাকাঙ্ক্ষিত রক্তপাত
-যৌন মিলনের সময় অস্বস্তি
-যোনির চারপাশের ত্বকে লাল র‍্যাশ হওয়া বা চামড়া লাল হয়ে যাওয়া
এই লক্ষণগুলোর যে কোনটি দেখা গেলেই অবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। অন্যান্য লক্ষণ দেখা না গেলেও দুর্গন্ধ প চুলকানি খুবই সাদারন সমস্যা। তাই এই সমস্যা গুলো নিজের মাঝে দেখলে লজ্জা না করে অবিলম্বে ডাক্তারের কাছে যান।
Vaginitis হতে দূরে থাকতে যা করতে পারেন
প্রতিকারের চাইতে প্রতিরোধ জরুরী। Vaginitis হতে দূরে থাকতে প্রত্যেক নারী যা করতে পারেন, সেগুলো হচ্ছে-
-পরিষ্কার পরিছন্ন থাকুন। Vaginitis হতে নিরাপরদ থাকতে এটি অত্যন্ত জরুরী। প্রতিদিন যোনি ও এর আশেপাশের এলাকা হালকা গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করবেন।
-আপনার ত্বকে অস্বস্তি হয় এমন যে কোন পণ্য ব্যবহার হতে বিরত থাকুন।
-এক অন্তর্বাস বেশিক্ষণ ব্যবহার করবেন না।
– স্পর্শ কাতর এই অঙ্গ পরিষ্কারের জন্য বিশেষ ধরনের সাবান জাতীয় পণ্য পাওয়া যায়, সম্ভব হলে সেগুলো ব্যবহার করুন।
মিলনের সময় মেয়েরা আহ ওহ করে কেন ?

মিলনের সময় মেয়েরা আহ ওহ করে কেন ?

৯:১৩ AM 2 Comments
বাংলা মাগি

sex-duringকোন নারী সর্বপ্রথম যে ংবী বা যৌন মিলন করে থাকে সেটা স্বভাবিকভাবেই একটু ব্যাথা দায়ক হবেই। এই ব্যাথাটা সাময়িক পরবর্তীতে যৌন মিলনকালে এমন আর না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রথম যৌন মিলনে নারীর হাইমেন ছিঁড়ে যাওয়ার জন্য...
এ সময় অল্প বেথা অনুভূত হয় এবং অনেক মেয়েরাই উফ আহ শব্দ করে।

যৌনমিলন একটি আনন্দময় অভিজ্ঞতা। কোন সমস্যা না থাকলে যৌন মিলনে ব্যথা পাবার…
যৌন মিলনের শেষ পর্যায় হচ্ছে অরগাজম বা চরম তৃপ্তি। নারীদের জন্য অরগাজম একেবারেই অন্য রকম একটা অনুভব। আপনার পরিচিত অন্য কোন অনুভবের সাথে এটার মিল খুঁজে পাবেন না। পুরুষের চাইতে নারীর অরগাজমটা একটু ভিন্ন। পুরুষ যেমন বীর্যপাতের কয়েক মুহূর্ত আগে টের পান, নারীর ক্ষেত্রেও তাই। যৌন মিলনের সময় অরগাজম হবার কয়েক মুহূর্ত আগেই বুঝতে পারবেন যে চরম মুহূর্ত উপস্থিত হতে যাচ্ছে। আপনার হার্ট বিট বেড়ে যেতে শুরু করবে, মুখে রক্ত জমবে, কেউ কেউ ঘামতেও শুরু করবে, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে যাবে।  এ জন্য আপনা আপনি ঘন ঘন শ্বাস নিতে হয়? এ সময় অনেক মেয়েরাই নারীরা উফ আহ শব্দ করে ।
তবে কেউ ব্যাথা তে করে আবার কেউ মিলনের সময়  কোন কারন ছাড়া যৌন আনন্দ বৃদ্ধির জন্য শব্দ করে।
এতো গুলা ছেলের সাথে এত রাতে সানিলিওন কি করে?

এতো গুলা ছেলের সাথে এত রাতে সানিলিওন কি করে?

১২:৩৫ PM Add Comment

1417869491-sunny
তারকার সঙ্গে নৈশভোজ এবং ওয়াইন হাতে আড্ডা দেওয়া নিশ্চয়ই বাড়তি পাওয়া। আর সেই তারকা যদি হয় সানি লিয়ন তাহলে তো উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায় । সম্প্রতি ‘ম্যানকাইন্ড ফার্মা’ নামের একটি কোম্পানি তাদের ‘এডিকশন ডিউ’ পণ্যর জন্য গ্রিস এবং ব্রাজিলে অনলাইনভিত্তিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রায় দশ হাজার প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে সৌভাগ্যবান ১০০ জনকে বাছাই করা হয়। যারা সানির সঙ্গে বসে নৈশ্যভোজে মন ও পেট জুড়াবেন!
গত শনিবার এ অনুষ্ঠানের  গ্র্যান্ড ফিনালে এর আয়োজন করা হয়। এ সময় সানি সবাইকে অটোগ্রাফ এবং ছবি তোলেন।
সানি বলেন, ‘চমৎকার একটি প্রতিযোগিতা হয়েছে। এ রকম একটি অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আনন্দিত। এছাড়া নিজেও চমৎকার ও আত্মবিশ্বাসী তরুণদের সঙ্গে দেখা করতে মুখিয়ে ছিলাম’। ‘ম্যানকাইন্ড ফার্মা’র দুটি পণ্যর শুভেচ্ছাদূত সানি। আর এ কারণেই তার অংশগ্রহণ।
১২ টি প্রেমেও শান্তি নেই বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতার

১২ টি প্রেমেও শান্তি নেই বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতার

১১:০৬ AM Add Comment
দশ প্রেমেও স্বস্তি নেই বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতার

একটি দুটি নয়। দশবার গভীর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। প্রত্যেকটিতেই ব্যর্থ। লম্বা প্রেমের এ লিস্টটা সাবেক বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেনের। গুজব রটেছে, গত দু’বছরের প্রেমিক ঋতিক ভাসিনের সঙ্গে সম্প্রতি বিচ্ছেদ ঘটেছে তার। মুম্বাইয়ের বিখ্যাত নাইট ক্লাবের মালিকানার পাশাপাশি ঋতিক অরিওন ইন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি কোম্পানির পরিচালকও। হঠাৎ করেই দু’বছরের সম্পর্কে ইতিটানলেন সুস্মিতা। কিন্তু কেন? ঘনিষ্ঠদের কাছে নাকি বলেছেনও, তার সঙ্গে থাকাটা সহ্য হচ্ছে না সুস্মিতার। অবশ্য কিছুদিন কেটে গেলেই তার মনে হয় একে দিয়ে আর কাজ চলছে না। সমালোচকরা ঠিক এমন মন্তব্যই করেছেন। কিছুদিন ধরেই বলিউডে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, আবারও সিঙ্গেল সুস্মিতা। যদিও এ ব্যাপারে বরাবরের মতো মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন এ বিশ্বসুন্দরী। অনেকেই এ সুযোগে তার প্রেমের লিস্টটা আরও একবার যাচাই করে নিচ্ছেন। প্রথম জীবনে ‘দাসতাক’ ছবির শুটিংয়ে বিক্রম ভাটের মন চুরি করেছিলেন সুস্মিতা। এ কারণে এক সন্তানের পিতা বিক্রম তার স্ত্রীকে ছাড়তেও পিছপা হননি বিশ্বসুন্দরীর মনের নাগাল পাওয়ার আশায়। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই ভেঙে গিয়েছে বিক্রম সুস্মিতার সম্পর্ক। এর কিছুদিন পর সঞ্জয় নারাঙ্গ নামের এক হোটেল ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্ক জুড়েছিলেন। কিন্তু বিয়ে করার কথা আসতেই সে সম্পর্ক থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন সুস্মিতা। প্রেমের তৃতীয় ইনিংস শুরু করেন হটমেল ডটকমের হেড সাবির ভাটিয়ার সঙ্গে। তিনি ১০.৫ ক্যারেটের একটি ডায়মন্ড রিংও দিয়েছিলেন সুস্মিতাকে। বন্ধুত্বের দোহাই দিয়ে সেই সম্পর্কেও ইতি ঘটান। ‘কর্মা’ ছবির শুটিং চলাকালীন বয়সে ছোট রণদীপ হুদার সঙ্গেও সম্পর্কে জড়ান তিনি। হৃদয় ভাঙার খেলায় হেরে গিয়ে ব্যথা সেরে উঠতে এ নায়কের বেশকিছু দিন সময়ও লেগেছিল। হুদার পর ইনিংসে একটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ক্ষেত্রির সঙ্গে। ভাঙা হৃদয় নিয়ে ক্ষেত্রিও পলায়ন করেন। এরপর আশ্চর্যজনকভাবে ‘লক্ষ্মী বাই’ ছবির প্রযোজক মানব মেননের সঙ্গে সিরিয়াস সম্পর্কে জড়ান সুস্মিতা। কিন্তু সেখানেও পতন। গ্লোবো স্পোর্টসের ভাইস প্রেসিডেন্ট বুন্টি সাচদেবাও সুস্মিতার নজর এড়াতে পারেননি। গুজব রয়েছে, মেয়রের বন্ধু মুদ্দাসার আজিজের সঙ্গেও সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন বিশ্বসুন্দরী। বলিউডে অভিনয় করতে এসে ওয়াসিম আকরামও হেরে গেছেন সুন্দরীর কাছে ‘এক খিলাড়ি এক হাসিনা’র সেটে প্রেমে হাওয়া বইলেও বেশি এগোয়নি ওয়াসিম-সুস্মিতা সম্পর্ক। সর্বশেষ ঋতিক ভাসিনের সঙ্গে ১৮ মাসের সম্পর্কের ইতি টেনে ফের সিঙ্গেল সুস্মিতা

সানি লিওন থেকে আরও নগ্ন হবেন রাখি

সানি লিওন থেকে আরও নগ্ন হবেন রাখি

১০:২৫ AM Add Comment
সানি লিওনের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে আরো খোলামেলা হচ্ছেন রাখি

বিনোদন প্রতিবেদক : লীলা কো গিলা কর দেঙ্গে হাম’। না কোনও বিজ্ঞাপনের চটকদারি ট্যাগ লাইন নয়, নয় কোনও ফিল্মের ডায়লগও। সানি লিওনের ওপর চটে গিয়ে এই মন্তব্যই করেছেন রাখি। আর তারপরই রাখির এই বিস্ফোরণ। রাখি নাকি সানির ‘ওয়াট’ লাগাতে চলেছেন। কিন্তু হঠাৎ এমন কি হল যাতে এতটাই চটেছেন বলিউডের এককালীন ‘আইটেম গার্ল’ রাখি সাওয়ান্ত। যে রাখি কাউকেই তোয়াক্কা করেননা তাঁর হঠাৎ এই মতিভ্রম?

আসলে সানি আসাতে বলিউডের বাজার কমেছে রাখির। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়েছেন তিনি। সানিকে টেক্কা দিতে নিজেকে আরও গ্ল্যামারস করতে তাই ছোট ছোট জামাকাপড় পরতে হচ্ছে তাকে। রাখির বক্তব্য, ”কিছু জিনিস ভেতরে থাকা উচিত , আর কিছু জিনিস বাইরে আনা দরকার”। আরও একধাপ এগিয়ে রাখি বলছেন, “আমি ভারতীয় নারী, আমি রাজনীতিতেও এসেছি। আমাকে এমন হতে বাধ্য করছে ও”। সানি যেন ভারত থেকে চলে যায় এমন উক্তিও করেছেন রাখি। শুধু ভারত থেকে নয় রাখি চান সানি যেন ভারতের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকেই চলে যান।
ভারতে ২২ ঘন্টা ধরে ৮ তরুণী মিলে এক তরুণ কে ধর্ষণ,অতঃপর…

ভারতে ২২ ঘন্টা ধরে ৮ তরুণী মিলে এক তরুণ কে ধর্ষণ,অতঃপর…

৮:৫২ AM Add Comment
২৯ ঘন্টা ধরে নিজের স্বামীকে ধর্ষণ,অতঃপর......
এই প্রথম বৈবাহিক ধর্ষণে অভিযুক্ত হলেন কোনও মহিলা। জোর করে স্বামীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ উঠল দক্ষিণ কোরিয়ার এক মহিলার বিরুদ্ধে। বছর চল্লিশের ওই মহিলার নাম সিম। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে তোলা হলে, মঙ্গলবার তাঁকে দোষীসাব্যস্ত করা হয়েছে।

সিওল পুলিশের তরফে ঘটনার তদন্তকারী গোয়েন্দা আদালতকে জানিয়েছেন, প্রায় ২৯ ঘণ্টা স্বামীকে ঘরবন্দি করে রাখেন ওই মহিলা। এবং প্রায় সবটুকু সময়েই তাঁকে জোর করে যৌনসম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন সিম। স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে সিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১৩ সালের মে মাসে বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে আখ্যা দিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ আদালত। তখন থেকেই বৈবাহিক ধর্ষণ দেশে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।
বাংলাদেশের যৌনব্যবসা ও যৌনকর্মীরা

বাংলাদেশের যৌনব্যবসা ও যৌনকর্মীরা

৪:২১ PM Add Comment
যৌনকর্মী ও যৌনব্যবসা কী?
যৌন ব্যবসা যদিও পৃথিবীর প্রাচীনতম পেশার একটি, যৌনকর্মী শব্দ প্রথম ব্যবহার করেন যৌনকর্মী, লেখক, নির্মাতা ও যৌনকর্মী অধিকারবাদী ক্যারল লেই। তিনি তার ওয়ানউওম্যানশো নাটকে এই শব্দের প্রয়োগ দেখান ১৯৭৮ সালে।
যৌনকর্মী শব্দের উৎস নিয়ে ক্যারল লেই এর লেখা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত সম্পাদিত প্রবন্ধ সংকলনে। ।।
এর পর থেকেই মূলত রিসার্চ, এনজিও ও মানবাধিকার সংগঠনে এই শব্দের বহুল ব্যবহার চালু হয়। মূলত যৌনকর্মী এবং তাদের অধিকার আদায়ে সচেতন ব্যক্তি ও গোষ্ঠির আন্তরিকতায় পেশা হিসেবে সম্মান জানানোর লক্ষ্যে এই শব্দ বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয়।
২০০০ সালে প্রকাশিত ইউকে হোম অফিসের এক রিসার্চে . বলা হয় যৌনকর্মী শব্দটি পতিতাবৃত্তির মতো জটিল, বিতর্কিত ও লৈঙ্গিক বৈষম্য থেকে মুক্ত।
২০০৬ এ এক ইউএস মেডিক্যাল জার্নালে  প্রকাশিত এক প্রবন্ধে অর্থ, বস্তু ও অন্যান্য লাভের জন্য যৌন সেবা প্রদান ও গ্রহণ করার পারষ্পরিক বিনিময়কে যৌন ব্যবসা বলা হয়।
২০০৯ এ প্রকাশিত UNAID guidance note on HIV/AIDS  এ বলা হয় পূর্ণবয়স্ক পুরুষ, নারী, ট্রানজেন্ডার ও ১৮-২৪ বছর বয়েস পর্যন্ত যেকোন লিঙ্গের তরুন নিয়মিত অথবা অনিয়মিতভাবে অর্থ কিংবা অন্য কোন বস্তুর বিনিময়ে যৌন সেবা প্রদান করলে তাকে যৌনকর্মী বলা হবে। এই পেপারে অনানুষ্ঠানিক (Less formal) ও সংগঠিত/প্রাতিষ্ঠানিক (Organised) দুই ধরনের যৌনব্যবসার সাথে জড়িত কর্মীদের যৌনকর্মীর আওতায় আনা হয়।
২০০৫ এ ইউকে থেকে প্রকাশিত গবেষণামূলক এই বইয়ে  লেখকদ্বয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত যৌন ব্যবসার একটি লম্বা তালিকা প্রস্তুত করেন। এই তালিকা থেকে তারা যৌন ব্যবসাকে ভাগ করেন দুই ভাগেঃ
ক) প্রত্যোক্ষ (direct) যার মধ্যে আছে গৃহমধ্যস্ত (indoor: ব্রোথেল, হোটেল, আবাসিক, এস্কর্ট) ও বহিরাঙ্গন (outdoor: স্ট্রিটবেইজড) এই দুই ধরণের কার্যক্রম। এই ব্যবসায় সাধারণত ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে সম্মানীর বিনিময়ে যৌন মিলন সংগঠিত হয়।
খ) পরোক্ষ (indirect) এর মধ্যে আছে সাধারণত যৌন মিলন বিহীন কার্যক্রম যেমন পোল ডান্স, স্ট্রিপিং, ফোন ও ইন্টারনেট সেক্স। যৌন মিলন না হলেও এই ব্যবসাও সম্মানী ও মুনাফা নির্ভর।
এই প্রচলিত ও গ্রহনীয় সংজ্ঞা মেনে নিয়ে বলা যায় কোন ব্যাক্তি - পুরুষ এবং নারী যেকোন রকম সম্মানীর বিনিময়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যৌনসেবা প্রদান করলে এই বিনিময় যৌন ব্যবসা এবং সেবা প্রদানকারীকে যৌনকর্মী বলা হয়।
এর বিপক্ষেও কিছু মত আছে। আপাতত সেই ব্যাখায় যাচ্ছিনা।
এই লেখায় শুধুমাত্র যৌনপল্লীর প্রেক্ষাপট এবং সেখানে কর্মরত যৌনকর্মীদের কথা আলোচনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশে কি যৌনব্যবসা বৈধ?
২০০০ সালে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বাংলাদেশে যৌনব্যবসা আইনত বৈধ। 
কিন্তু বাংলাদেশের আইন ও সংবিধান এই ক্ষেত্রে বিরোধী অবস্থানে আছে।
ক) সংবিধানের ১৮(২)অনুচ্ছেদে বলা হচ্ছে “রাষ্ট্র জুয়া এবং যৌনব্যবসার বিরুদ্ধে কার্যকরী সুরক্ষা প্রদান করিবে” (The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.) 
খ) Suppression of Immoral Traffic Act, 1933 - prohibits prostitution of underage girls (girls under the age of 18) and brothel keeping. It is also an offence for third parties to import, export, sell, or hire a woman for prostitution under Oppression of Women and Children (Special Enactment) Act, 1995. Section 290 of the Penal Code of 1860 categorises prostitution under public nuisance and Section 74 of DMP Ordinance, 1976 defines it in the frames of public nuisance as an attempt to attract attention, solicit, or molest in a public place for the purposes of prostitution. [/i] 
গ) মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ অনুসারে (দেশের ভেতরে ও বাইরে) ১০ ১১‘‘পতিতাবৃত্তি’’ অর্থ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অথবা অর্থ বা সুবিধা (kind) লেনদেন করিয়া কোন ব্যক্তির যৌন শোষণ বা নিপীড়ন;
(৯) ‘‘পতিতালয়’’ অর্থ পতিতাবৃত্তি পরিচালনার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কোন বাড়ি, স্থান বা স্থাপনা; মানব পাচারের মধ্যে
‘‘শিশু’’ অর্থ আঠার বৎসর বয়স পূর্ণ করে নাই এমন কোন ব্যক্তি;
[/i](নিষিদ্ধ)
ঘ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুসারে ১২
৫৷ (১) যদি কোন ব্যক্তি পতিতাবৃত্তি বা বেআইনী বা নীতিবিগর্হিত কোন কাজে নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে কোন নারীকে বিদেশ হইতে আনয়ন করেন বা বিদেশে পাচার বা প্রেরণ করেন অথবা ক্রয় বা বিক্রয় করেন বা কোন নারীকে ভাড়ায় বা অন্য কোনভাবে নির্যাতনের উদ্দেশ্যে হস্তান্তর করেন, বা অনুরূপ কোন উদ্দেশ্যে কোন নারীকে তাহার দখলে, জিম্মায় বা হেফাজতে রাখেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক বিশ বত্সর কিন্তু অন্যুন দশ বত্সর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
(২) যদি কোন নারীকে কোন পতিতার নিকট বা পতিতালয়ের রক্ষণাবেক্ষণকারী বা ব্যবস্থাপকের নিকট বিক্রয়, ভাড়া বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে যে ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপভাবে হস্তান্তর করিয়াছেন তিনি, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, উক্ত নারীকে পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে বিক্রয় বা হস্তান্তর করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
(৩) যদি কোন পতিতালয়ের রক্ষণাবেক্ষণকারী বা পতিতালয়ের ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কোন ব্যক্তি কোন নারীকে ক্রয় বা ভাড়া করেন বা অন্য কোনভাবে কোন নারীকে দখলে নেন বা জিম্মায় রাখেন, তাহা হইলে তিনি, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, উক্ত নারীকে পতিতা হিসাবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে ক্রয় বা ভাড়া করিয়াছেন বা দখলে বা জিম্মায় রাখিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
হাইকোর্টের রায়
২০০০ সালে টানবাজার-নিমতলী যৌনপল্লী উচ্ছেদের প্রতিবাদে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর এনফোর্সমেন্ট অফ হিউম্যান রাইটস(BSEHR) ও অন্যান্য এনজিও হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করে।
পিটিশনের কারণ হিসেবে পুলিশ ও প্রশাসন কতৃক যৌনকর্মীদেরদের অবৈধভাবে, জোরপূর্বক তাদের বাসস্থান থেকে উৎখাত করা এবং এর প্রেক্ষিতে যৌনবৃত্তিতে নিযুক্ত নারীদের নাগরিক হিসেবে সমান সুযোগ প্রদান ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়।
আবেদনকারীরা বর্ণনা করেন ২৪শে জুলাই ১৯৯৯ ভোর রাতে যখন নিমতলী, টানবাজার ও নারায়ণগঞ্জ পল্লীর বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন তখন পুলিশ জোরপূর্বক তাদের ঘরে প্রবেশ করে কোনভাবে গুছাবার কিংবা তৈরী হবার সুযোগ না দিয়ে শিশুসহ যৌনকর্মীদের শারীরিকভাবে আঘাত করে বাইরে অপেক্ষমান বাসে তুলে দেয় এবং ভবঘুরে আইন ১৯৫০ অনুসারে তাদের কাশিমপুর ভবঘুরে কেন্দ্রে স্থানান্তর করে।
বিবাদীপক্ষ সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয় এই পুরো পদ্ধতিতে কোথাও কোন আইন ভঙ্গ হয়নি এবং আইনের নিয়ম মেনেই তাদের ভবঘুরে কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
আদালত বিস্তৃত ব্যাখ্যায় বলেন যৌনপল্লীতে থাকা নারীরা সমাজের সবচেয়ে কম সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠী এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দুর্ঘটনার ফলাফল হিসেবে তারা এই পেশায় জড়িত আছেন। পুলিশ ও স্থানীয় দ্বারা যৌনকর্মীদের তাদের আবাস থেকে উৎখাত সংবিধান পরিপন্থী ও অবৈধ। আদালত টানবাজার ও নিমতলী যৌনপল্লীর বাসিন্দাদের ভবঘুরে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া ও আটকে রাখাকেও অবৈধ ঘোষনা করেন।
এই ল্যান্ডমার্ক পিটিশনের রায়ে নারী যৌনকর্মী অনুর্ধ ১৮ বছরের হলে এবং যৌন ব্যবসাই তার আয়ের একমাত্র উৎস প্রমান করতে পারলে তিনি বৈধভাবে যৌনব্যবসায় অংশগ্রহন করতে পারেন। ১৩
যৌনকর্মী নোটারি পাবলিকের সাহায্যে প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এফিডেবিট দিয়ে বৈধ ভাবে কাজ করার জন্য নিবন্ধিত হন। হলফনামা কিংবা এফিডেবিটে তিনি ঘোষনা করেন তার বয়স অনুর্দ্ধ আঠারো এবং জীবনধারনের কোন উপায় না থাকায় কোন মহলের বলপ্রয়োগ ছাড়া স্বেচ্ছায় এই পেশা বেছে নিয়েছেন।
উল্লেখ্য বাংলাদেশের আইনে পুরুষ এবং ছেলে-মেয়ে উভয় শিশুর যৌনব্যবসা নিষিদ্ধ।
মেক আপহীন সম্পূর্ণ নগ্ন ছবি তুলেছেন ডেমি লোভাটো

মেক আপহীন সম্পূর্ণ নগ্ন ছবি তুলেছেন ডেমি লোভাটো

৩:৪০ PM Add Comment
image_275280.999
গায়িকা ডেমি লোভাটো ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনের আগামী সংখ্যার জন্য সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে ছবি তুলেছেন। ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনের আগামী সংখ্যায় প্রচ্ছদকন্যা হিসেবে দেখা যাবে ২৩ বছর বয়সী লোভাটোকে।
স্নানাগারে তোলা এই ছবিতে কোনো মেক-আপ কিংবা ফটোশপের সহায়তা নেওয়া হয়নি। ছবি তোলার তার এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন ভক্তরা। ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে গেছে অনলাইনে। ‘উই আর প্রাউড অফ ইউ ডেমি’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে তাকে সমর্থন জানাচ্ছেন সবাই।
ভক্তদেরও ধন্যবাদ জানিয় টুইটারে লেখেন, আপনাদের সমর্থন আমার জন্য সবকিছু……কেউ ধারণা করতে পারবে না আপনারা কতখানি গুরুত্বপূর্ণ……সবাইকে অনেক ধন্যবাদ…#আত্মবিশ্বাসী।
- See more at: http://newsgardenbd.com/?p=110961#sthash.Advvd7ec.dpuf
রাজধানীতে এখন ৪ ক্যাটাগরির কলগার্ল!

রাজধানীতে এখন ৪ ক্যাটাগরির কলগার্ল!

৩:২৪ PM Add Comment
1392016455_call_girl_3


রাজধানীর পতিতা নেটওয়ার্ক। পতিতারাও মানুষ। কলগার্লরা পতিতালয় নির্ভর নয়। তারা চলমান এবং অদৃশ্য। দেখা যায়, কিন্তু জানা যায় না। ঢাকার কলগার্ল বিজনেস খুবই সুসংগঠিত। এ পেশাটি যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের নেটওয়ার্কও শক্তিশালী। প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে এরা ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। অথচ প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না। ঢাকার কলগার্লদের এই নেটওয়ার্কের একটা অংশ নিয়ন্ত্রণ করে ঢাকার এসকর্ট এজেন্সিগুলো (scort service)। আর বাকী অংশ নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে বিচ্ছিন্ন কলগার্ল এজেন্টদের মাধ্যমে।এজেন্ট আর ক্লায়েন্টের সম্পর্কটা এখানে ত্রিভুজের মতো। ক্লায়েন্ট-কলগার্ল এবং এজেন্ট একটা সুক্ষ্ম সম্পর্কে আবদ্ধ। সমসত্ম লেনদেন হয় এজেন্টের মাধ্যমে। এজেন্ট তার নিজের কলগার্লদের এবং ক্লায়েন্টের ডিমান্ড সম্পর্কে সব সময় সচেতন থাকে। এজেন্ট টারমনোলজিতে ডিমান্ডের অর্থ হল কলগার্লটির ‘ভ্যালুয়েশন।’ অর্থাৎ কলগার্লের সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য এবং গ্লামার ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সংযোগের মোট মূল্য (শহুরে, মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত, শিক্ষিত এবং সমাজের উঁচুতলার মানুষের সঙ্গে পরিচিত)। ‘এজেন্ট’ই অধিকাংশ সময় প্রোগ্রাম তৈরি করেন। ক্লায়েন্টের চাহিদা এবং টাকা খরচ করার ক্ষমতার উপর নির্ধারিত হয় প্রোগ্রাম কেমন হবে। একটা প্রোগ্রাম আয়োজনের ‘সময়’ এবং ‘স’স্থান’ সি’র হয় ক্লায়েন্ট এবং কলগার্ল উভয়ের সুবিধা মত। ঢাকার এক একজন এজেন্টের অধিনে শতাধিক কলগার্ল রয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। আবার এই পেশায় অনেক দিন আছেন এমন কলগার্লরা নিজেই এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন- এমন উদাহরণও বিরল নয়। ঢাকার ধানমন্ডি, উত্তরা, গুলশান, বনানী, সেগুনবাগিচা এলাকায় ফ্লাট বাসা নিয়ে চলছে কলগার্ল বিজনেস। মডেল প্রোভাইডার হিসেবে পরিচিত অনেক প্রযোজক, পরিচালক এবং এক সময়ের নামি অভিনেত্রীরা এই কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন। সচারচর কোন কলগার্লের বয়স বেশি হয়ে গেলে বা চাহিদা কমে আসলে তারা তখন এজেন্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। কথা হয় ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট নিয়ে থাকেন এমন একজন কলগার্লের সাথে। মনিকা নামের এই কলগার্ল নিজেই এখন এজেন্ট। নিজের ফ্ল্যাটেই অফিস খুলে বসেছেন। তার আন্ডারেই রয়েছে ২০ জনেরও বেশি কলগার্ল। ঢাকার বেশ কয়েকটি নামি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন মেয়েও যে তার সাথে কাজ করনে -এ কথা জানান তিনি। মনিকা জানান, এরা কখনোই নিজে কোন ক্লায়েন্টের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে প্রোগ্রামে অংশ নেয় না। কারণ হিসেবে নিজেদের গোপনীয়তা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে এমনটি বলে জানান তিনি। এ প্রতিবেদক ইডেন এবং তিতুমীর কলেজে পড়ে এমন দু’জন কলগার্লের সাথে ফোনে ব্যক্তিগত যোগাযোগ করেন। তবে দু’জনই তাদের এই গোপন অভিসারের কথা অস্বীকার করেন। এদের একজনের সেলফোন নম্বর আবার ইন্টারনেটে নির্দিষ্ট ওয়েব সাইটে সংরক্ষিত আছে। ওয়েব পেজে তার পরিচিতিতে কলগার্ল কথাটির সাথে আবেদনময় আহ্বান রয়েছে। ওয়েব সাইটটিতে তার ছবিও আপলোড করা। ওয়েবে থাকা স্টিল ফটোগ্রাফটি নিজের বলে স্বীকার করলেও তিনি যে কলগার্ল ধরনের কিছু নন, তা বারবার বোঝাতে চেষ্টা করেন। এই প্রতিবেদক তাকে বাংলায় প্রশ্ন করলেও চটপটে ইংরেজিতে উত্তর দেন মেয়েটি। কলগার্ল না হলে সেলফোন বন্ধ করে দিচ্ছেন না কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে সন্তোষজনক কোন উত্তর দিতে পারেননি তিনি।এখানে এজেন্ট কলগার্ল সম্পর্কটা চমকে দেয়ার মতো। এজেন্টরা নিজেদের কলগার্লদের ব্যাপারে অনেক যতœশীল। ঢাকায় এই কলগার্লরা কখনও কখনও বাইরে গিয়েও প্রোগ্রাম করেন। ডিমান্ডেবল কলগার্লদের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে। ওয়েব সাইট ঘেঁটে দেখা যায়, এসকর্ট এজেন্সিগুলো সারা বিশ্বে একটা নেটওয়ার্ক হয়ে কাজ করে। ফলে অনেক সময় কলগার্লদের দেশের বাইরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
যেভাবে কলগার্ল :
উচ্চাঙ্ক্ষা পূরণ করার সবচেয়ে সহজ হাতিয়ার হলো কলগার্ল বনে যাওয়া! টেলিভিশন ও সিনেমার পরিচালক-প্রযোজকের লোভনীয় অভিনয়ের সুযোগ বাস্তবায়ন করতে, মডেল হওয়ার খায়েশ পূরণ করতে, সখের বসে এমনকি উচ্চবিত্ত গৃহবধূ একাকিত্ব দূর করতে তার বন্ধুর মাধ্যমে জড়িয়ে পড়ে এই ধরনের পেশায়। তবে শুধু টাকার অভাবে এই পেশায় নাম লিখিয়েছে এমনটি শোনা যায়নি। কলগার্ল সুমা (ছদ্ম নাম) জানান, তার স্বামীর অন্য সম্পর্ক ছিল। সে অনেক চেষ্টা করেও তাকে না ফেরাতে পেরে জিদের বসে নিজে এমন পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। কলগার্লরা নেটওয়ার্কে ঢোকেন বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, সিনেমা-টেলিভিশন পরিচালক-প্রযোজক, বিউটি পার্লার, ড্যান্স স্কুল এবং অন্যান্য লোকজনের মাধ্যমে। বাড়তি রোজগারের লোভে, ভাল ক্যারিয়ারের আশায়, কারোর কাছ থেকে প্রতারিত হয়ে কিংবা স্বামীর অবহেলায় পাত্রী হয়ে, প্রেমে ব্যর্থ হয়ে, নামকরা মডেল বা অভিনেত্রী হওয়ার আশায় এই শহরে গোপনে গোপনে ‘কলগার্ল’ হয়েছেন অনেকেই। এই পেশায় সিনেমা-টেলিভিশনের অভিনেত্রী থেকে শুরু করে উঠতি গায়িকা, উচ্চাঙ্ক্ষী মডেল ছাড়াও আছেন মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত পরিবারের বিবাহিত-অবিবাহিত মেয়েরা। এদের অনেকেই আবার সমাজে পরিচিত। অর্থাৎ তারকা হিসেবে তাদের ফেসভ্যালু রয়েছে। এসব তারকাদের যে কোন প্রোগ্রাম আয়োজনে থাকে কঠোর গোপনীয়তা। আর এক্ষেত্রে অগ্রণ্য ভূমিকা পালন করে এজেন্ট কর্তৃপক্ষ। আর ক্লায়েন্টের তালিকায় আছেন মূলতঃ ব্যবসায়ীরা। বিদেশী ক্লায়েন্টদেরও মনোরঞ্জন করে থাকেন ঢাকার কলগার্লরা। যাদের কাঁচা টাকা ওড়াতে কোন বাধা নেই, কেবল তারাই কলগার্লদের নিয়ে মেতে ওঠেন কামনা-বাসনা চরিতার্থ করার এই জমকালো আয়োজনে। তবে সাধারণ মানুষও যে নেই, তাও নয়। তবে সে সংখ্যা একেবারেই হাতে গোণা।
কলগার্ল হওয়ার পাশাপাশি এদের অন্য একটা পরিচিতিও রয়েছে। সেই পরিচিতিই এদেরকে সমাজে আড়াল করে রাখে। কেউ স্টুডেন্ট, কেউ বিউটিশিয়ান, কেউ ম্যাসিউজ, কেউ প্রাইভেট টিউটর, কেউ বুটিক চালান, কেউ অভিনেত্রী। আছেন গৃহবধূরাও। এরা যেন চেনামুখের আড়ালে অচেনাজন।
যারা ঢাকার কলগার্ল :
* এরা কোনও নির্দিষ্ট পতিতালয় নির্ভর নন।
* এরা চলমান মহিলা যৌনকর্মী। একা বা কোন এজেন্ট দ্বারা নিজেদের পরিচালিত করেন।
* প্রত্যেকটি প্রোগ্রাম (যৌনকর্ম) আয়োজনে থাকে গভীর গোপনীয়তা।সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুই কিংবা তিনটি প্রোগ্রামে অংশ নেন একজন কলগার্ল।
* প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয় সাধারণ হোটেল, রিসর্ট, প্রাইভেট ফ্ল্যাট ও ম্যাসেজ পার্লারে।
* এরা সকলেই শিক্ষিত এবং বাংলা-ইংরেজিতে পারদর্শী। এছাড়াও কেউ কেউ হিন্দিতেও অনর্গল কথা বলতে পারেন।
* এদের বেশিরভাগ উচ্চবিত্ত পরিবারের সদস্য। উচ্চাভিলাসী মধ্যবিত্তের সংখ্যাও কম নয়। বাইরের থেকে দেখে কোনভাবেই বোঝা যাবে না এরা কলগার্ল।
* বেশিরভাগই এ পেশার বাইরেও অন্য কাজ করে থাকেন, যেখান থেকে আয়-রোজগারও যথেষ্ট।
কাদের ডিমান্ড এখানে :images
জানা যায়, ক্লায়েন্টদের কাছে কম বয়সী স্কুল এবং কলেজের মেয়েদের চাহিদা বেশি। ফলে এই সব এসকর্ট এজেন্সিগুলোর নজর থাকে ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলের সাথে সাথে স্বনাম ধন্য ঢাকার স্কুল কলেজগুলোর দিকে। এসকর্ট এজেন্টগুলো বিভিন্নভাবে ফাঁদ পেতে স্কুল-কলেজের মেয়েদের কৌশলে কলগার্লের খাতায় নাম লেখিয়ে নিচ্ছে। অর্থের লোভ দেখিয়ে নতুন নতুন মেয়েদের নেটওয়ার্কে নিয়ে আসতে পারঙ্গম এরা। তবে এরা পতিতালয়ের তথাকথিত ‘পিম্প’ বা দালালদের মতো নয়।
এসকর্ট এজেন্সি এবং কলগার্ল :
ঢাকার এসকর্ট এবং কলগার্ল এখন একে অপরের পরিপূরক শব্দ। বৈধতার সনদ দেখিয়ে এরা প্রকাশ্যে কলগার্ল বিজনেস চালিয়ে যাচ্ছে। ক্লায়েন্টদের আকৃষ্ট করতে কলগার্ল বিষয়ে যাবতীয় তথ্য, ছবি এবং কলগার্লের রেট দিয়ে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে যাবতীয় তথ্য অনলাইনে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। দেশের বাইরে থেকেও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কলগার্ল বুকিং দেয়া যায়। ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে- এসব ওয়েব সাইটে তরুণীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদানের কথা বলে নতুন নতুন কলগার্ল হওয়ার জন্য আহ্বান রয়েছে। সেই সাথে ক্লায়েন্ট এবং কলগার্লদের জন্য যাবতীয় নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার কথা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ঢাকার এসকর্ট এজেন্সিগুলোর প্রত্যেকের রয়েছে নিজস্ব কলগার্ল ডেটাবেজ। ছবিসহ এসব ডেটাবেজে গ্রাহক হওয়ার মাধ্যমে প্রবেশ করা যায়। আবার সব কলগার্লের ছবি ওয়েবে থাকে না। কারণ স্টার কিংবা সেলিব্রেটি কলগার্লরা ওতটা প্রকাশ্যে প্রচার হতে রাজী হয় না। চাহিদা মতো এসকর্টের কলগার্ল পেতে কায়েন্টকে বেশ কিছু শর্ত পালন করতে হয়। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে- এসকর্ট এজেন্সিকে ক্লায়েন্টের পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর প্রদান, যোগাযোগের জন্য একটা কন্ট্যাক্ট নম্বর (মোবাইল/টেলিফোন), কোন হোটেলে এসকর্ট আয়োজন করতে চাইলে তা কমপক্ষে থ্রিস্টার হোটেল হতে হয় এবং ফ্লাটের ক্ষেত্রেও হতে হয় মানসম্মত। ওয়েব সাইট থেকে জানা যায়, ঢাকা এসকর্ট এজেন্সি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। ঢাকা ভিত্তিক এইভাবে উন্মুক্ত কলগার্ল ব্যবসাকে বৈধ বলে দাবি করেন এসকর্ট কর্তৃপক্ষ। ঢাকা এসকর্টের আজাদ এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কলগার্লের এই বিজনেস প্রফেশনালি বৈধভাবে করে থাকেন তারা। আর এ প্রতিবেদক নিজেকে একজন ক্লায়েন্ট হিসেবে পরিচয় দিলে তাদের বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে মেইল করেন। আলোচনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কলগার্লদের রেট যৎসামান্য কমতে পারে বলেও তিনি জানান। ঢাকা এসকর্টের ওয়েব সাইটে দেখা যায়, ফেডারেল লেবেয়িং এন্ড রেকর্ড কিপিং ল’ (১৮ ইউএসসি ২২৫৭) অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম বৈধ এবং কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত। একাধিক আইনজীবীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই আইনের দোহাই দিয়ে যৌন ব্যবসা বৈধ করার কোন সুযোগ নেই। এছাড়া খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসকর্ট এজেন্সি খুলে কলগার্ল ব্যবসা সম্পূর্ণরূপে অবৈধ। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পুলিশ গুলশান জোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কোনভাবেই যৌন ব্যবসা বৈধ হতে পারে না। উল্লেখিত আইনের কথাও এর আগে শোনেননি বলে জানান তিনি। আর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে একেবারে প্রকাশ্যে এই ধরনের যৌনব্যবসা চলছে শুনে তিনি বিস্মিত হন।
কলগার্ল হতে ইচ্ছুক :
এসকর্ট এজেন্সিগুলো কলগার্ল হতে ইচ্ছুকদের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আহ্বান জানায়। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া সুন্দরী মেয়ে, গৃহিনী এবং কম বয়সী তরুণীদের লোভনীয় প্রস্তাবের মাধ্যমে আকৃষ্ট করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বাচ্ছন্দ এবং কম বয়সে লাখপতি হওয়ার সুযোগ। এ রকম নানা প্রলোভনে কলগার্ল হওয়ার প্রস্তাব দিয়ে থাকে এসব এসকর্ট এজেন্সিগুলো। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরাসরি এজেন্টরা নতুন কলগার্ল নিতে ডিল করে না। মাধ্যম হিসেবে তৃতীয় একটি পক্ষকে ব্যবহার করে থাকে। ফলে কেউ কলগার্লের খাতায় নাম লেখালে সেক্ষেত্রে এজেন্সিকে দায়ী করা যায় না।
xhghg.thumbnail.jpg.pagespeedরেট :
সাধারণত ৪ ক্যাটাগরির কলগার্ল পাওয়া যায়। বয়স, ফিগার এবং ইন্টেলেকচুয়াল-এর ওপর ভিত্তি করে ক্যাটাগরি নির্ধরণ করা হয়। এলিট ‘এ’, এলিট ‘বি’, প্রিমিয়াম ‘এ’ এবং প্রিমিয়াম ‘বি’। ক্যাটাগরি অনুযায়ী কলগার্লদের পেতে টাকা খরচের অঙ্কেও পরিবর্তন আসে। এলিট ক্যাটাগরির কলগার্লদের স্বল্প সময়ের জন্য বুকিং দেয়া যায় না। প্রিমিয়ার ক্যাটাগরির কলগার্লদের আধা ঘণ্টার জন্য বুকিং দিলে কমপক্ষে ৪০ ডলার গুনতে হয়। আর এলিট শ্রেণীর সর্বনিম্ন রেট ২০০ ডলার (প্রতিঘণ্টা)। তবে সময় বাড়লে রেটে কিছুটা তারতম্য হয়। পুরো রাতের জন্য এ লেবেলের এলিট কলগার্লদের রেট ৮০০ থেকে ১০০০ ডলার। প্রতি তিন সপ্তাহ অন্তর কলগার্লদের ডাক্তারী পরীক্ষা করা হয়। ফলে কলগার্লদের সংস্পর্শে ক্লায়েন্টদের কোন প্রকার যৌনবাহিত রোগ হবে না বলেও নিশ্চয়তা দেয় এজেন্টরা। পছন্দের কলগার্লকে নিয়ে ঢাকার বাইরে যাওয়ারও সুযোগ রয়েছে। হিল ট্রাক্টস্, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এমনকি দেশের বাইরেও নিয়ে যাওয়া সম্ভব। আর সেক্ষেত্রে দরকার শুধু টাকা। এলিট কলগার্লদের প্রায় সকলেরই পাসপোর্ট রয়েছে। পছন্দসই এসকর্ট অর্ডার দেয়ার পর ঢাকা হলে এসকর্ট আয়োজনে সময় লাগবে সর্বোচ্চ একঘণ্টা। সিলেট, চট্টগ্রাম ১২ ঘণ্টা এবং দেশের বাইরে তিনদিন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশের নতুন, পুরানো অনেক মডেল, টেলিভিশন ও সিনেমার বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী এমনকি প্রাইভেট চ্যানেলের সংবাদ পাঠিকাও কলগার্লের খাতায় নাম লিখিয়েছেন। তবে এদের রেট প্রচলিত রেটের চেয়ে অনেক বেশি। এদের সাথে প্রোগ্রাম কিংবা এসকর্টে অংশ নিতে হলে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয়। অগ্রিম টাকা নেয়া হয় না। সে ক্ষেত্রে নতুন ক্লায়েন্ট হলেও প্রতারিত হওয়ার ভয় থাকে না বললেই চলে। কলগার্ল অর্ডার দেয়ার পর তাকে দেখে পছন্দ না হলে অর্ডার বাতিল করা যায়। বিভিন্ন দেশের প্রচলিত মুদ্রায় বিল পরিশোধ করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে টাকার সাথে সাথে ডলার, পাউন্ড এবং ইউরোকেই অগ্রাধিকার দেয়া হয়। প্রাইভেসির জন্য শুধুমাত্র নগদ ক্যাশে বিল দিতে হয়। চেক কিংবা ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নয়।
জেনিফার লরেন্সের অর্ধশতাধিক নগ্ন ছবি ফাঁস

জেনিফার লরেন্সের অর্ধশতাধিক নগ্ন ছবি ফাঁস

১:১৪ PM Add Comment
জেনিফার লরেন্স
জেনিফার লরেন্স


সাম্প্রতিককালে হলিউডের সবচেয়ে বড় ঘটনা, একসঙ্গে ১০০ জন বিখ্যাত অভিনেত্রীর নগ্ন ছবি ফাঁস করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেটে। এ তালিকায় জেনিফার লরেন্সের মতো প্রথম সারির সুন্দরীও আছেন। একটি-দুটি নয়, তার ৬০টি নগ্ন ছবি ফাঁস হয়েছে অ্যাপলের  অনলাইন  স্টোরেজ  আই ক্লাউড থেকে। 

জানা গেছে, ‘হাঙ্গার গেমস’-এর দৃশ্যধারণ চলাকালে লরেন্সের ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলো বন্দি করা হয় মোবাইল  ফোনের ক্যামেরায়। এগুলো তিনি রেখেছিলেন ‘আই ক্লাউড’-এ। কিন্তু চতুর হ্যাকররা  সেখান  থেকেই তার সব ছবি হ্যাক করে পোস্ট করে দেয় ফোরচ্যান নামের একটি ওয়েবসাইটে। জেনিফারের ব্যক্তিগত মুখপাত্র টিএমজেড ওয়েবসাইটকে এ খবরের সত্যতা স্বীকার করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়‍ার কথা জানিয়েছেন। 

টুইটারে এক বার্তায় ২৪ বছর বয়সী লরেন্স বলেছেন, ‘কী অদ্ভূতুড়ে ব্যাপার। মানুষ কীভাবে একজনের গোপনীয় ব্যাপার সরিয়ে নিতে পারে।’

লরেন্সের পাশাপাশি হলিউডের ‘ফাইনাল ডেস্টিনেশন’ সিরিজের নিয়মিত অভিনেত্রী ম্যারি এলিজাবেথ উইনস্টিডও হ্যাকারের হাতে হেনস্তা হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এক বছর আগে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে ছবিগুলো তুলেছিলেন তিনি।

নগ্ন ছবি ফাঁস হওয়ার তালিকায় আরও আছেন পপগায়িকা রিয়ান্না, সেলেনা গোমেজ, অ্যাভ্রিল লেভিন, কারা ডেভেভিংনে, অভিনেত্রী কেট বোসওর্থ, হিলারি ডাফ, অ্যাম্বার হার্ড, গ্যাব্রিয়েলে ইউনিয়ন, হেডেন প্যানেট্টিয়ের, জেনি ম্যাককার্থি, হোপ সলো, রিয়েলিটি টিভি তারকা কিম কারদাশিয়ান, মডেল-অভিনেত্রী কেলি ব্রুক, কেট আপটন, কেলি কুকো, কিকি পালমারের মতো তারকার নাম। গত ৩১ আগস্ট এই ঘটনা ঘটে। তবে এতো বিপুলসংখ্যক ছবি কীভাবে হ্যাকাররা ফাঁস করে দিলো তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

যদিও গায়িকা ভিক্টোরিয়া জাস্টিস ও আরিয়ানা গ্র্যান্ডের মতো কয়েকজন তারকা ফাঁস হওয়া নিজেদের নগ্ন ছবি ফটোশপের কারসাজি বলে উল্লেখ করেছেন। 

* (উপরের ছবিতে) বাঁ থেকে ঘড়ির কাটার দিকে রিয়ান্না, সেলেনা গোমেজ, ম্যারি এলিজাবেথ উইনস্টিড ও কিম কারদাশিয়ান
শেষ পর্যন্ত স্বামীর সঙ্গে সানি লিওনের অন্তরঙ্গ ভিডিও

শেষ পর্যন্ত স্বামীর সঙ্গে সানি লিওনের অন্তরঙ্গ ভিডিও

১:১০ PM Add Comment


বড়দের উপযোগী ছবিতে অভিনয় করে তারকাখ্যাতি পেয়েছেন সানি লিওন। তাই বলিউডে সহজেই যৌন আবেদনময়ী ভাবমূর্তি গড়ে নিতে পেরেছেন তিনি। এবার স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবারের সঙ্গে অন্তরঙ্গ একটি ভিডিওচিত্রে অংশ নিলেন এই ৩৩ বছর বয়সী। ভিডিওটিতে দু’জনকেই ঘনিষ্ঠ অবস্হায় দেখা গেছে।

ফেসবুক পেজে ভিডিওটির কয়েকটি মুহূর্ত ভক্তদের ভাগাভাগি করেছেন সানি। এটি তৈরি হয়েছে ম্যানডেট সাময়িকীর প্রচ্ছদের অংশ হিসেবে। ছবি তোলার সময় ধারণকৃত সেই ভিডিও এরই মধ্যে সাড়া ফেলেছে ইন্টারনেট দুনিয়ায়।


* ইউটিউবে প্রকাশিত ভিডিও লিংক:

 
নারীদের কোন বিষয়গুলা যৌনসুখের চেয়েও প্রিও?

নারীদের কোন বিষয়গুলা যৌনসুখের চেয়েও প্রিও?

১০:২৯ AM Add Comment
love-with-realation

কেবল যৌন সুখ নয়, নিজেদের একান্ত সম্পর্কে পছন্দের পুরুষের কাছ থেকে এই বিষয়গুলোও আশা করেন নারীরা। ব্যক্তিবিশেষে এই চাহিদার বিভিন্ন রকমের হলেও দেখা গিয়েছে কমবেশি এই ব্যবহারই কামনা করেন অধিকাংশ নারী।
*যার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে আলতো চুম্বন। জোর করে নয়, দুপক্ষের সম্মতিতেই এই চুম্বন হওয়া বাঞ্ছনীয়।
*দ্বিতীয়ত, স্পর্শ।
*তৃতীয়ত, গভীর আলিঙ্গন। যাতে থাকবে সারাজীবন পাশে থাকার ইঙ্গিত। এই বিষয়গুলি নারীদের কাছে যৌনতার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
*চতুর্থত, যৌন মিলনের পর গভীর আলিঙ্গনে পরস্পরকে জড়িয়ে ঘুমোনোটাও অধিকাংশ নারীই পছন্দ করেন।
একান্ত মুহূর্তে আবেগঘন প্রশংসা নারীদের খুবই প্রিয়। পাশাপাশি হাত ধরে হাঁটা, উপহার, বিশেষ মুহূর্তে “ভালোবাসি”, মজার খুনসুটি, মজার কোন ইঙ্গিত ইত্যাদি ব্যাপারগুলো নারীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কী ভাবে পূর্ণাঙ্গ যৌনতৃপ্তি পাবেন!

কী ভাবে পূর্ণাঙ্গ যৌনতৃপ্তি পাবেন!

১০:২৬ AM Add Comment
Bdlife_150

আধুনিক যৌনবিজ্ঞান বলে যে, ইচ্ছে করলে নারীও ওয়েমেন অন দ্য টপ পজিশনে দারুণ তৃপ্তি সুখ উপভোগ করতে পারে। এতে উভয়ের দারুণ যৌন আনন্দ লাভ করতে পারে। যৌনমিলনে বিভিন্ন আসন বা ভঙ্গি আনন্দ এনে দিতে পারে উভয়ের মাঝে। কোনও একটি নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ না থেকে স্বামী-স্ত্রী ঘরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময় বিশেষে বিভিন্ন ভঙ্গিতে যৌনমিলনে লিপ্ত হলে দাম্পত্য জীবনে যৌনতৃপ্তির মাত্রা বেড়ে যাবে অনেক গুণ।
সবাই যৌনজীবনে, যৌনমিলনে পরিপূর্ণ সুখ, তৃপ্তি ও আনন্দ চায়। এই চাওয়া খুবই যৌক্তিক ও স্বাভাবিক। শতকরা ১০০ ভাগ যৌনতৃপ্তি না পেলে মিলনের কোনও তাৎপর্য থাকে না। যৌনসুখ ও তৃপ্তি লাভের বিচিত্র কৌশল, যৌনমিলনে পরিপূর্ণ তৃপ্তি লাভের উপায়, যৌনমিলনে নারী-পুরুষের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়ে মোটামুটি আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত ধারণা রাখতে হবে।
আসলে যৌনজীবনকে পরিপূর্ণ সুখময়, আনন্দময়, তৃপ্তিকর ও তাৎপর্যময় করে তুলতে নারী-পুরুষ উভয়কেই সমানভাবে সক্রিয় হতে হবে। যৌনমিলনে পুরুষের মতো নারীরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পুরুষের মনে কামনার আগুন জ্বালিয়ে ক্রমান্বয়ে যৌনক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছতে নারীকে অবশ্যই যৌন কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। নারীকে তার নারীত্বের মধ্যে থেকেই পরিপূর্ণ আনন্দ ও সুখ পাবার চেষ্টা চালাতে হবে।
যৌন জীবনে নারীরা অসুখী থাকার কারন !

যৌন জীবনে নারীরা অসুখী থাকার কারন !

১০:২৪ AM Add Comment
1430732385_index-700x336-500x261

পুরুষের তুলনায় যৌন জীবনে মহিলাদের অসুখী হওয়ার হার অনেক বেশি। এমনকি নিজের ভালোবাসার পুরুষটির সঙ্গেও যৌন জীবন নিয়ে খুশী নন অনেক মহিলাই।
ভুল ধারণা এবং অজ্ঞতা যৌন জীবনে অসুখী রয়ে যাওয়ার মূল কারণ। সঙ্গে পর্যাপ্ত যৌন শিক্ষার অভাব। যৌনতা যে কেবল সন্তান উৎপাদনের মাধ্যম নয়। নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্য একটি আনন্দের ব্যাপার। এই বিষয়টি সম্পর্কে আজও অজ্ঞ প্রচুর নারী। কী করতে হবে কিংবা কীভাবে করলে আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে যৌন মিলন।
নিজেকে বুঝতে না পারা: কোন অঙ্গগুলো যৌনতার ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর কিংবা নিজের শরীরের চাহিদাগুলো কী কী ইত্যাদি বিষয়ে অজ্ঞতা এবং বুঝতে না পারাও যৌন জীবনে অসুখী হবার একটি বড় কারণ।
কি চাই সেটা বলতে না পারা: নারীদের যৌন জীবনে অতৃপ্ত থাকার অন্তরালে এটা একটি বিশেষ কারণ। এমনকি তিনি যে যৌন জীবনে সুখী নন এটাও পুরুষ সঙ্গীকে মুখ ফুটে বলতে পারেন না অনেক নারী।
লজ্জা এবং সংকোচ: অনেক নারী মনে করেন যে মেয়েদের যৌনতার কথা বলতে নেই, কিংবা মেয়েদের যৌনতার বিষয়টি নিয়ে কথা বলা কিংবা যৌন চাহিদা প্রদর্শন করার বিষয়টি খুবই লজ্জার। তাই মনের ইচ্ছা মনে চেপে রাখেন তারা।
শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা নিয়ে সংকোচ: যৌনতায় আগ্রহ নেই কিংবা যৌনতা ঘিরে কোনো শারীরিক সমস্যা বোধ করছেন। এমন অবস্থায় ডাক্তারের কাছে যান না অধিকাংশ নারী।
যৌনতা ঘিরে ভয়: অনেক নারীর মাঝে যৌনতা বিষয়ে নানান রকমের ভীতি কাজ করে. ফলে এই বিষয়টি সম্পর্কে তারা কখনও সহজ মনোভাব পোষণ করতে পারেন না। চিরকাল বিষয়টি নিয়ে আড়ষ্টতা রয়ে যায়।
অল্প বয়সী মেয়ে বিয়ে করলে কী হয়?

অল্প বয়সী মেয়ে বিয়ে করলে কী হয়?

১০:২২ AM Add Comment
অল্প বয়সী মেয়ে বিয়ে করলে দীর্ঘ যৌনজীবন!

পুরুষেরা কেন তাদের চেয়ে কম বয়সী মেয়েদের সাথেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তা কি আমরা ভেবে দেখেছি? চলুন খুঁজে বের করি কারনগুলো-
১. আধিপত্য:
সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, পুরুষেরা সর্বত্র আধিপত্য বিস্তারে অভ্যস্ত। আর তাদের এই আধিপত্য বিস্তারের যে চর্চা তার বৃত্ত থেকে তাদের পরিবার এবং পরিবারের সদস্যরাও বাদ যান না। আর  তাই, অল্প বয়সী মেয়েদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতেই তারা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।
২. দীর্ঘ ও সুখের যৌন জীবন:
সাধারণত ৪০ এর পরেই অধিকাংশ নারীদের যৌন আবেদন ধীরে ধীরে স্তিমিত হতে থাকে। কিন্তু পুরুষদের যৌনাকাঙ্ক্ষা আরও দীর্ঘ সময় বজায় থাকে। তাই, সমবয়সী নারীদের বিবাহে অনেক পুরুষদেরই অনীহা রয়েছে। তাদের ধারণা অল্প বয়সী মেয়েদের বিয়ে করলে তারা দীর্ঘ ও সুখের যৌনজীবন লাভ করতে পারবে।
৩. অস্বস্তিবোধ:
বিস্ময়কর হলেও সত্যি, পুরুষেরা তার সমবয়সী মেয়েদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে অস্বস্তিবোধ করে। পুরুষের সমযোগ্যতা সম্পন্ন নারীদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না- এই ধারণাই পুরুষকে তার চেয়ে অনেক কম বয়সী নারীকে বিয়ে করতে উদ্বুদ্ধ করে।
৪. ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা:
পুরুষদের একটি বদ্ধমূল ধারণা যে, তারা যখন বৃদ্ধ হয়ে যাবে তখন তাদের পরিচর্যা করবার মত কেউ থাকবে না। এমনকি সন্তানেরাও তাদের পরিচর্যা করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে। তাই, কম বয়সী স্ত্রীই এই সমস্যার সমাধান। তাদের ধারণা স্ত্রীরা তাদের যথাযথ পরিচর্যা করতে কখনই অস্বীকৃতি জানাবে না।
আপনি কী মিলনে অতৃপ্তও ? নিয়ে নিন সমাধান !

আপনি কী মিলনে অতৃপ্তও ? নিয়ে নিন সমাধান !

১০:৪৮ AM Add Comment
sexual-dysfunctio
যৌন মিলনে তৃপ্তি নেই? নিজেকে অসুখী মনে হয়? মনে হয় সুখের ভাণ্ডার অপূর্ণ রয়ে গেল? আপনি পুরুষ-মহিলা, যা-ই হোন না কেন, সুখী দাম্পত্য জীবনের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে কিন্তু আপনার মধ্যেই!
সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে, মানসিক দোটানা, দ্বিধা, দোদুল্যমানতা কাটিয়ে আপনার সঙ্গীর কাছে মেলে ধরুন মনের খাতার পাতা, নিজের আবেগ-অনুভব উজাড় করে দিন তাঁর কাছে, দেখবেন যৌন জীবনে মজার রঙ কতটা বেড়ে গিয়েছে! মিলনের সুখের মাত্রা কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে!
কানাডার ইউনিভার্সিটি দ্য মন্ট্রেলের মনস্তত্ব বিভাগের অধ্যাপক নাইলা আওয়াদা তাঁর গবেষণায় বলছেন, আপনি যত দোদুল্যমানতায় ভুগবেন, আপনার ভিতরে আবেগের স্রোত তত রুদ্ধ হবে, সঙ্গীর কাছে নিজেকে মেলে ধরতে পারবেন না, অদৃশ্য পাঁচিল তৈরি হবে দুজনের মাঝখানে। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে মেডিক্যাল ডেইলিতে।
নাইলা জানিয়েছেন, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে দম্পতিরা মন খুলে মনের ভিতর জমে থাকা আবেগ পরস্পরের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন, তাঁদের যৌন জীবন অনেক অনেক সুখের হয়। শরীর-মন থাকে সুন্দর, সতেজ।
এমনকী বিশেষত, শারীরিক মিলনের সময় যে মহিলারা যৌনাঙ্গের মুখে জ্বালা-যন্ত্রণা, অনুভব করেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও দেখা গিয়েছে, স্বামীর সঙ্গে তাঁদের খোলামেলা আবেগের লেনদেন হলে তাঁরাও মিলনে সুখ পান।।এই সমস্যাটিকে প্রোভোকড ভেস্টিবুলোডিনিয়া (পিভিডি) বলা হয়।
নাইলা এই সিদ্ধান্তে এসেছেন এমন ২৫৪ জন দম্পতির ওপর পরীক্ষা চালিয়ে যেখানে স্ত্রীর ‘পিভিডি’ রয়েছে। নাইলা বলেছেন, স্বামী-স্ত্রীর ভিতরে আবেগের স্রোত শুকিয়ে গেলে, শারীরিক বা পারস্পরিক সম্পর্কজনিত জটিলতা থাকলে তা থেকে দু’জনের মধ্যেই নিজেকে গুটিয়ে রাখার প্রবণতার জন্ম হয়।তা থেকেই ক্রমশ পরস্পরের কাছ থেকে দূরে সরে যান দুজনে। এক ছাদের তলায় থেকেও অচেনা হয়ে যান দু’জন দু’জনের কাছেই।
যৌন মিলন পরবর্তী সময়ে স্ত্রীর সাথে কি করবেন ?

যৌন মিলন পরবর্তী সময়ে স্ত্রীর সাথে কি করবেন ?

১০:৪২ AM Add Comment
k3ybwpib
প্রায় ক্ষেত্রেই দেখা যায় যৌন মিলনের আগেই যতসব আয়োজন থাকে কাপলদের মাঝে। যৌন মিলনের পর তারা যেন অনেকটা মুর্ষে পড়েন। আর কোনো কথা নয়, কোনো ভালোবাসার প্রকাশ নয়, বলতে গেলে অনেকটা দূরেই সরে যান তারা। কিন্তু এই ধরনের কাজ মোটেই উচিত নয়। যৌন মিলনের পূর্বমুহূর্তটি যেমন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ‍ঠিক তেমনি যৌন মিলনের পরবর্তী সময়টিও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ। এসময়ই আসলে ভালোবাসার আসল প্রকাশ ঘটে থাকে। আসুন জেনে নিই যৌনমিলন পরবর্তী সময়ে প্রিয় মানুষটির সামনে যে ধরনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করবেন :
১. যৌনমিলন পরবর্তী সময় যৌনমিলনের পোষ্টমর্টেম করবেন না। অর্থাৎ যৌনমিলনের পর পরই সঙ্গীর অপারগতা গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করবেন না। এটা অন্য সময় আলোচনা করা যেতে পারে। তাকে উৎসাহ অথবা টিপস দিতে পারেন কিভাবে করলে আপনি বেশি মজা পেতেন। সব সময় পুর্ন তৃপ্তি পাবেন এমন কোন কথা নয়। আপানার সঙ্গী আপনার প্রতিপক্ষ নয়। তাই তাকে হারানোর চেষ্টা করবেন না। এতে আপনি নিজেই হারবেন।
২. যৌনমিলন পরবর্তী সময়ে আপনার সঙ্গীকে বলুন আপনি কতটা আনন্দ পেয়েছেন। এটি পরবর্তীতে তাকে উৎসাহ জোগাবে আপানাকে তৃপ্ত করার।
৩. পারিবারিক সমস্যা কখনো বিছানায় আনবেন না। আমাদের দেশের নারীদের একটা প্রবনতা আছে যৌনমিলনের সময় পুরুষ যখন চরম উত্তেজনায় তখন নারী তার পাওনা/বায়না আদায়ের উপযুক্ত সময় মনে করে পুরুষ সঙ্গীকে চাপের মুখে ফেলতে চায়। এটা মোটেও সংসারে সুখ আনবে না। সুখি পরিবারে সঙ্গীর বায়না এমনিতে পুরন করার আগ্রহ জাগে।
৪. যৌনমিলনের পর পর অন্ততঃ পাচ মিনিট একে অপরকে জড়িয়ে ধরে রাখুন । তার চেয়ে বেশি সময় নিলে আরো ভাল।
৫. যৌনমিলন শেষে সঙ্গীর চোখের দিকে পরিতৃপ্তির হাসি দিয়ে বলুন “আমি তোমায় অনেনননক ভালবাসি”। ওই মুহুর্তের এই কথা গুলোর অর্থ রস অন্য সময়ের বলায় পাবেন না
হোটেলে দেহ বিক্রয় করতে গিয়ে গভীর রাতে হোটেলে ধরা খেলো নায়িকা দীপিকা!

হোটেলে দেহ বিক্রয় করতে গিয়ে গভীর রাতে হোটেলে ধরা খেলো নায়িকা দীপিকা!

৯:৪৪ AM Add Comment
deepika-padukone
মুম্বাইয়ের গুরগাঁও ফাইভ স্টার হোটেলে শুক্রবার গভীর রাতে একসঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলিউডের বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত জুটি দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। বিষয়টি জানাজানির পর এই নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা চলছে সর্বমহলে। সবারই মনে একই প্রশ্ন-এতো গভীর রাতে সেখানে নিরিবিলি কী করছিলেন এই প্রেমিক যুগল? সেই প্রশ্নের উত্তর পেতে এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষার প্রহর গুণছেন সবাই।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হোটেলের প্রবেশ দরজায় প্রায় পাঁচ মিনিট সময় কাটিয়েছিলেন দীপিকা। কখনও হাঁটছিলেন, কখনও উঠছিলেন আর বসছিলেন। তিনি স্থির থাকতে পারছিলেন না। এতে স্পষ্ট যে, এই অভিনেত্রী কারও জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এসময় তিনি দীর্ঘকায় আকৃতির সাদা পোশাক পরেছিলেন এবং পনিটেল করে তার চুলগুলো বাঁধা ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী আরও জানান, এর কিছুক্ষণ পরই সেখানে এসে হাজির হন রণবীর সিং। তিনি সুপারম্যান টি শার্ট ও মাথায় পাগড়ি পরেছিলেন। সঙ্গে এনেছিলেন কিছু ল্যাগেজ। সেগুলো সিকিউরিটির কাছে জমা দিয়ে দীপিকাকে নিয়ে হোটেলের ভেতরে ঢুকেন। তবে তারা ভেতরে কতক্ষণ ছিলেন- তা জানা যায়নি।
এই জুটি বর্তমানে গুরগাঁওয়ের ফিল্ম সিটি স্টুডিওতে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘বাজিরাও মাস্তানি’ সিনেমার শুটিং করছেন। আর সেই শুটিং সেট থেকে তারা সরাসরি চলে যান হোটেলে।
সোমবার মিড ডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজ বাড়ি থেকে শুটিং সেটে যাওয়া-আসার ঝামেলা এড়াতে ফিল্ম সিটির কাছে হোটেলে অ্যাপার্টমেন্ট নিয়েছেন রণবীর সিং। সম্ভবত, সেই অ্যাপার্টমেন্ট দেখতে বা রণবীর সিংয়ের ৩০তম জন্মদিনের প্রাক উদযাপন করতে দীপিকা হোটেলে আগেভাগে গিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। এজন্য শুটিং থেকেও তাদের ছুটি দেওয়া হয়েছিল।
তবে এ ব্যাপারে দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং কোনো মন্তব্য করেননি।