ইন্টারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইন্টারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেখে নিন মারাত্মক দশটি ইন্টারনেট ভাইরাস !

দেখে নিন মারাত্মক দশটি ইন্টারনেট ভাইরাস !

৩:৫৬ PM Add Comment
ভয়ংকর দশ ইন্টারনেট ভাইরাসইন্টারনেটে অচেনা লিংকে ক্লিক করে ভয়ংকর ভাইরাসের কবলে পড়ে কম্পিউটারের নিয়ে বিপাকে পড়েছেন, এমন ভুক্তভোগীর সংখ্যা কম নয়। বরং দিন দিন সেই সংখ্যাটা আরও বাড়ছে।

ইন্টারনেটে নানা আকর্ষণীয় লিংক শেয়ার করে অনেক সময়ই ব্যাপক ক্ষতিকর সব ভাইরাস ছড়িয়ে দিয়ে থাকে সাইবার অপরাধীরা। সেসবের মধ্যে থেকে আলোচিত ভয়ংকর ১০ ভাইরাস সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার বাংলা সংস্করণ। জেনে নিন ভাইরাসগুলো সম্পর্কে।

* I loveYou : রোমান্টিক আহবান! অথচ এর প্রভাব কতটা ভয়ানক তা বোঝা গিয়েছিল ২০০০ সালে। এই ভাইরাসটি প্রথম দেখা গিয়েছিল ফিলিপাইনে। পরবর্তীতে নিমেষের মধ্যে বিশ্বের মোট কম্পিউটারের ১০ শতাংশ একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছিল ভাইরাসটি। মোট ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি।

* My Doom : ইতিহাসে এর থেকে ভয়ংকার ভাইরাস নাকি জন্মায়নি! প্রথমবার দেখা গিয়েছিল ২০০৪ সালের ২৬ জানুয়ারি। ই-মেইল মারফত সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যায়। এর অন্য একটি নামও রয়েছে, Novarg। প্রায় ২০ লাখ কম্পিউটার এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিশ্ব জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার।

* Sobig F: এই ভাইরাস কম্পিউটারে ভদ্রলোক সেজে এসে দাঁড়াবে এবং ব্যবহারকারীর কাছেই ঢোকার অনুমতি চাইবে। অর্থাৎ স্প্যাম মেইল হিসেবে ঢুকেও এটা বোঝাবে যে সে একটি সঠিক অ্যাড্রেস থেকে এসেছে। এভাবেই ২০০৩ সালে ২০ লাখ সিস্টেমের বারোটা বাজিয়েছিল। কম্পিউটারে ঢোকার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজের ১০ লাখ কপি তৈরি করে ফেলে এই ভাইরাস। ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার ক্ষতি করেছিল এই ভাইরাস।

* Code Red : এই ভাইরাসটি হোয়াইট হাউসের কম্পিউটারকেও বিপাকে ফেলেছিল। ২০০১ সালের ১৩ জুলাই এটি প্রথম দেখা যায়। মাইক্রোসফট ইন্টারনেট ইনফরমেশন সার্ভারের একটি খুঁতকে কাজে লাগিয়ে ৪ লাখ সার্ভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এটি। বিশ্ব জুড়ে ক্ষতির পরিমাণ ছিল ২৫০ কোটি মার্কিন ডলার।

* SQL Slammer: ২০০৩ সালে প্রথম দেখা যায়। মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ৭৫ হাজার সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ব্যাংক অব আমেরিকা থেকে শুরু করে ৯১১ সার্ভিস- সবই প্রভাবিত হয়েছিল এর জন্য। মোট ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১২০ কোটি মার্কিন ডলার।

* Melissa : অন্যতম সাংঘাতিক তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ১৯৯৯ সালের ২৬ মার্চ প্রথম লক্ষ্য করা যায়। খুব কম সময়ের মধ্যে ৬০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতি করেছিল এটি।

* Chernobyl : এটি প্রথম দেখা যায় তাইওয়ানে। এটি কম্পিউটারে ঢুকে ফ্ল্যাশ বায়োস চিপটি আক্রান্ত করে এবং সেটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এর জন্য বিশ্ব জুড়ে প্রায় ২৫ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষতি হয়।

* Storm Worm : ২০০৭ সালে বিশ্বের অনেক কম্পিউটার ব্যবহারকারী একটি ই-মেইল পেয়েছিলেন। ওতে লেখা ছিল ইউরোপে ঝড়ের কারণে ২৩০ জন মারা গিয়েছেন। যারা এই ই-মেইলটি ক্লিক করে খুলেছিলেন, তাদের কম্পিউটার আর ঠিক করা যায়নি। এক কোটি কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বিশ্ব জুড়ে। ক্ষতির হিসাব করা যায়নি।

* Conflicker : ২০০৯ সালে আবিষ্কার হয় এটি। দেড় কোটি উইন্ডোজ সিস্টেমের বারোটা বাজিয়েছিল এটি। শুধুমাত্র কম্পিউটারই নয়, পেন ড্রাইভ, স্মার্টফোন, এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক সব কিছুর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে এটি। ফায়ারওয়াল প্রোটেকশন ভালো না হলে কম্পিউটারের যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিমেষে কপি করে ফেলতে দক্ষ।

* Nimda : ৯/১১-এর এক সপ্তাহ পরে এই ভাইরাসটি বিশ্ব জুড়ে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য, ফাইল ট্রান্সফার এবং শেয়ার্ড ফোল্ডারের ইতিহাস নিমেষে চুরি করে ফেলতে পারে এটি। অনেকে বিশ্বাস করেন, এটি সাইবার সন্ত্রাসের আক্রমনের একটা অঙ্গ হিসেবে কাজ করেছিল।
২০১৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ২৭ mbps দ্রুতগতির ইন্টারনেট ।শেখ হাসিনা

২০১৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ২৭ mbps দ্রুতগতির ইন্টারনেট ।শেখ হাসিনা

১০:৩৭ AM Add Comment
Hasina1430481069






প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০১৭ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট। কারণ প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করে দিয়েছে।
শনিবার গণভবনে উপজেলা ডিজিটাল মেলা ও ইন্টারনেট সপ্তাহ উদ্বোধন করে দেয়া এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে আমরা ২০০ প্রকারের সেবা অনলাইনে দিচ্ছি। কোরবানির গরু থেকে শুরু করে মোটরসাইকেল সবই অনলাইনে কেনা যায়। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাদের কৃষকরা তথ্য সংগ্রহ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিস্টেম তো আমি বুঝি না। কারণ আমি সাইন্সের ছাত্রী ছিলাম না। আমি ছিলাম বাংলা সাহিত্যের ছাত্রী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি বাংলা সাহিত্যে ডিগ্রি অর্জন করেছি। আমি আমার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকে ডিজিটাল প্রযুক্তি সম্পর্কে জেনেছি।
ডিজিটাল এ প্রযুক্তি ব্যবহারে আইন হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাতে প্রযুক্তির অপব্যবহার না হয় সেজন্য আইন হচ্ছে। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করে আমাদের সমাজের উন্নয়ন করতে হবে। এটার ব্যবহার যেন আমাদেরকে ক্ষতির দিকে না নেয়।
তিনি বলেন, ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সরকার কর্মসংস্থানে কাজ করে যাচ্ছে।